Image description

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কার নির্দেশে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ভিডিও শেয়ার করে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্টবিরোধী লড়াইয়ের মাধ্যমে হাসিনা পতন আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা নুর ভাইয়ের ওপর সেনাবাহিনীর এই বর্বর রক্তাক্ত হামলাকে আমি স্বাভাবিক হামলা হিসেবে দেখি না।

তিনি উল্লেখ করেন, আর্মি কখনও ওপরের নির্দেশ ছাড়া একটা পা-ও ফেলে না। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কার নির্দেশে নুর ভাইকে রক্তাক্ত করা হলো—এ জবাব সেনাপ্রধানকে দিতে হবে। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কারা একটা পার্টির আহ্বায়ককে মেরে হলেও জাতীয় পার্টিকে রক্ষার মিশনে নেমেছে সেটাও খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশের মধ্যকার যে আওয়ামী দালালরা এখনও রয়ে গেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সেনাবাহিনী এবং পুলিশ অবশ্যই নুরুল হক নুরকে ভালো করে চেনে। তারপরও প্ল্যান করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। যারা পেছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে জিওপি ও জাপা নেতাকর্মীদের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাকর হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিজয়নগর পানি ট্যাংকি এলাকা থেকে ধাওয়া করে সেনা ও পুলিশ।

নেতাকর্মীরা তাদের দলীয় অফিস আল রাজী কমপ্লেক্সের দিকে চলে যায়। এ সময় ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। এতে জিওপি সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।তাদের মধ্যে রক্তাক্ত নুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এরপর থেকে থেমে থেমে স্লোগান দিচ্ছে জিওপি নেতাকর্মীরা। ওদিকে জাতীয় পার্টি অফিসেই আছেন তাদের দলীয় নেতাকর্মীরা।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মশাল মিছিল নিয়ে জাপা অফিসের দিকে যায় জিওপি নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে ছিল লাঠিসোটা।

প্রথম দফায় ইটপাটকেল নিক্ষেপে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনসহ দলটির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়।এর আগে বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল করে জিওপি নেতাকর্মীরা। তারা পুরানা পল্টনের আল-রাজী কমপ্লেক্সের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে গ্রেফতার ও দলটিকে নিষিদ্ধের দাবি জানায়।