
কুষ্টিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুই নারী ও এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ আগস্ট) সকালে এসব ঘটনা ঘটে।
প্রথম ঘটনা, কুষ্টিয়া মডেল থানা সংলগ্ন কোর্টপাড়া বারো শরীফ দরবারের পাশে একটি স্থান থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা সকালে মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
অপরদিকে, মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজের পেছন থেকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় আরেক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিনুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা মরদেহটি দেখে পুলিশে সংবাদ দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
এছাড়া, একই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার জগতি-পোড়াদহ রেললাইনের এসোগড়ি এলাকায় সিয়াম (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। সিয়াম কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগরের আদর্শপাড়া গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।
পোড়াদহ রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম জানান, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে লাফ দিয়ে সিয়ামের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা রেললাইনের পাশে মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এটি আত্মহত্যা বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাগুলোর তদন্ত করছে।
Comments