Image description

রাজধানীর বিজয়নগরে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে সেনাবাহিনী ও পুলিশের লাঠিচার্জে দলটির সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শনিবার জরুরি বৈঠকে বসেছেন।

শুক্রবার রাতে আল রাজী টাওয়ারের সামনে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর সেনাবাহিনী ও পুলিশের হামলায় নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বরাতে জানা গেছে, নুরের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও নাকের হাড় ভেঙে গেছে। শনিবার সকালে তার জ্ঞান ফিরলেও ৪৮ ঘণ্টার আগে তাকে আশঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার চিকিৎসার জন্য ৬ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে।

ঘটনার সময় লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে ছাত্রনেতা সম্রাটকে লাঠিপেটা করতে দেখা গেলেও তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য দাবি করলেও তার পরিচয় নিশ্চিত হয়নি। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না।”

এ ঘটনায় বিএনপি, জামায়াতেসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফেসবুকে বলেন, “আমরা গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হতে দেব না। সংযম ও সহনশীলতা বজায় রাখতে হবে।”

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানিয়েছেন আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেনাপ্রধানকে বক্তব্য দিয়ে ক্লিয়ার করতে হবে, তিনি এ ঘটনার নির্দেশনা দিয়েছেন কি না। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ক্লিয়ার করতে হবে, প্রধান উপদেষ্টাকে বক্তব্য স্পষ্ট করতে হবে। আজকে নুরুল হক নুরসহ আমাদের ওপর যে হামলা হয়েছে, এ হামলার জন্য সরকারের কোনো নির্দেশনা ছিল কি না তা স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন।