Image description

দীর্ঘ সাত বছর পর গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনের হাওয়ায় উৎসবমুখর ক্যাম্পাস। মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরুর প্রথম তিন দিনে ৮৭ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহের ঢেউ তুলেছে। ক্যাম্পাসের করিডোর থেকে ক্যান্টিন—সর্বত্রই আলোচনা ‘কে হবেন ভিপি’ বা ‘কে হাসবেন শেষ হাসি’।

মনোনয়ন বিতরণ শুরু হয় ২৬ আগস্ট। প্রথম দিন ১৩ জন, দ্বিতীয় দিন ৩০ জন এবং তৃতীয় দিন রেকর্ড ৪৪ জন ফরম সংগ্রহ করেন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ১০ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন, কোষাধ্যক্ষ পদে ৫ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৩ জন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৩ জন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৭ জন, সমাজকল্যাণ ও ক্যান্টিন সম্পাদক পদে ৮ জন এবং কার্যনির্বাহী পদে ২৭ জন ফরম নিয়েছেন।

প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা সহকারী অধ্যাপক মো. আবু রায়হান বলেন, “৮৭ জন প্রার্থী ফরম নিয়েছেন, যারা শিক্ষার্থীদের সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আশাবাদী, নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ হবে।” তফসিল অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর ফরম জমা, ২-৪ সেপ্টেম্বর যাচাই-বাছাই, ৮ সেপ্টেম্বর প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, ১১ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং ২৫ সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণ হবে।

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া ইসলাম বলেন, “নির্বাচন নতুন আশা জাগিয়েছে। নতুন নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখুক।” ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদের মেহেদী হাসান সাকিব বলেন, “নির্বাচন গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ। ক্যাম্পাস আবার নিজের ছন্দে ফিরেছে।”

প্রশাসনিক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে সর্বশেষ গকসু নির্বাচন হয়। করোনা, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যু ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন বন্ধ ছিল। রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। থানায় চিঠি পাঠানো হবে।”