আইন ভেঙেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন

মানবকণ্ঠ
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন - মানবকণ্ঠ।

poisha bazar

  • মানবকণ্ঠ ডেস্ক
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৩:৫৫

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পার্লামেন্ট স্থগিতের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছেন, পার্লামেন্ট স্থগিতে রানীকে প্রধানমন্ত্রী জনসনের অনুরোধ আইনসম্মত ছিল না। যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতের ১১ বিচারপতির সর্বসম্মত এই রায়কে ঐতিহাসিক বলছে আন্তর্জাতিক সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন। গত ১০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট পরবর্তী পাঁচ সপ্তাহের জন্য মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

এর পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছিলেন, আগামী ১৪ অক্টোবর পার্লামেন্টে রানীর ভাষণ সামনে রেখে তিনি যাতে তার সরকারের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারেন সেই জন্য পার্লামেন্ট স্থগিত চেয়েছেন। তবে সমালোচকদের মতে, পার্লামেন্ট সদস্যরা যাতে তার ব্রেক্সিট পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে না পারেন সে জন্য তাদের পাশ কাটাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন জনসন। আদালতের এই রায়ের পর প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন একদল এমপি। যত দ্রুত সম্ভব পার্লামেন্ট অধিবেশন চেয়েছেন তারা। প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, এই রায়ে জনসনের গণতন্ত্রের প্রতি অবমাননা প্রকাশিত হয়েছে। রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, আগামী ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা সামনে রেখে পার্লামেন্টের দায়িত্ব পালন বন্ধ করাটা ভুল ছিল।

এর আগে স্কটল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্টও জনসনের এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক এই রায়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানায়নি সরকার। ব্রেক্সিট ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়ে গত মে মাসে পদত্যাগের ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তিনি সরে দাঁড়ানোর পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন কট্টর ব্রেক্সিটপন্থি বরিস জনসন। নির্বাচিত হওয়ার পর আগামী ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট বাস্তবায়নেরও ইঙ্গিত দেন তিনি। মঙ্গলবার জনসন সরকারের ব্রেক্সিটনীতির বিরোধীরা পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব তোলেন। এই প্রস্তাবে যুক্তরাজ্যের স্বার্থ রক্ষায় চুক্তি চ‚ড়ান্ত করতে ব্রেক্সিট আরো পিছিয়ে দেয়ার কথা বলা হয়।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads





Loading...