'ভালোবাসা, শান্তি ও স্বাধীনতা: বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন' শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠান


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৬ আগস্ট ২০২১, ২১:৪৭

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে এক ঘণ্টার একটি সংক্ষিপ্ত মনোজ্ঞ তাত্ত্বিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের যুগলযাত্রাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিতব্য এই আলোচনায় অংশ নেবেন বাংলাদেশের প্রথিতযশা ব্যক্তিবর্গ। নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে ডিজিটাল বাংলাদেশের তারুণ্যের জন্য সংক্ষেপে জাতির ইতিহাসের বাঁক ঘুরে আসার একটি সুবর্ণ সুযোগ এটি।

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে বঙ্গবন্ধুর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো আধুনিক প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে 'ভালোবাসা, শান্তি ও স্বাধীনতা; বঙ্গবন্ধুর দর্শন' বিষয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি এবং আইসিটি বিভাগ।

অনুষ্ঠানটি সরাসরি প্রচারিত হবে: ২৭ আগস্ট ২০২১ (শুক্রবার) বিকাল ৫.১০ মিনিট এবং ২৮ আগস্ট ২০২১ (শনিবার) রাত ১.১০ মিনিটে। সরাসরি দেখা যাবে- একাত্তর টিভি এবং চ্যানেলটির ফেসবুক পেজে।

অতিথি ও আলোচক হিসেবে থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম (অনুবাদক, অসমাপ্ত আত্মজীবনী), বর্ষীয়ান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ বদরুল আহসান; আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি; আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, পিএএ। ইংরেজিতে অনুষ্ঠিত এই আলোচনার সঞ্চালনা করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ।

বাংলার স্বাধীনতা ও বাঙালির জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সংগ্রাম করেছেন। বাংলার মানুষের মুক্তিই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি চাইতেন- বাঙালি জাতি উন্নত জীবনে অধিকারী হোক, বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। বাঙালি জাতিসত্তাকে বিশ্বের বুকে গর্বের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করুক। স্বাধীনতার পর ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট (১৯৭২ সালের এক সাক্ষাৎকারে) বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘আপনার শক্তি কোথায়?’ বঙ্গবন্ধু সে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমি আমার জনগণকে ভালোবাসি।’ তিনি যখন এরপর জানতে চাইলেন, ‘আর আপনার দুর্বল দিকটা কী?’ বঙ্গবন্ধুর উত্তর, ‘আমি আমার জনগণকে খুব বেশি ভালোবাসি।’ এই হলেন বঙ্গবন্ধু।

মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের পর, পুরো দেশ যখন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই আসে আরেকটি আঘাত। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট মধ্যরাতে একদল বর্বর দেশাদ্রোহী নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুকে। সদ্য স্বাধীন জাতির জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি নিয়ে আসে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড, তৈরি করে রাজনৈতিক শূন্যতা, ব্যাহত হয় গণতান্ত্রিক উন্নয়নের ধারা।

কিন্তু এই কালো অন্ধকার কী ঢেকে দিতে পেরেছে আমাদের গৌরবোজ্জ্বল রক্তিম ইতিহাসকে? মৃত্যুতেই কী মিলিয়ে দেওয়া যায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালির অবদান, নাকি মহাকালের বুকে কালপুরুষ হয়ে জাতিকে যুগ যুগ ধরে পথ দেখাবেন তিনি? জানতে চান, ইস্পাতের কাঠিন্য আর কুসুমের কোমলতার মিশেলে কেমন ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান? তাহলে চোখ রাখুন এই আলোচনায়।

মানবকণ্ঠ/এমএ


poisha bazar

ads
ads