কোন স্মার্টফোন কিনবেন?


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৩ মার্চ ২০২১, ১৮:১৮,  আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২১, ১৯:২৩

বর্তমান প্রযুক্তির এই সময়ে স্মার্টফোন ছাড়া অন্যকিছু ভাবা প্রায় অসম্ভব। স্মার্টফোন দিয়ে ছবি তোলা, অডিও শোনা, নেট সার্ফিং করা, গেম খেলা ছাড়াও আরও অনেক কাজ করা যায়। এরজন্য চাই উপযুক্ত স্মার্টফোন যা দিয়ে সকল প্রকারের স্মার্ট কাজ করা যায়। তা এখন জেনে নেয়া যাক ভালো মানে ফোনের কিছু বৈশিষ্ট্য। এছাড়াও মোবাইলের ফোনের দাম বিডিস্টল.কম থেকে জেনে নিতে পারবেন।

মোবাইলের প্রসেসরঃ প্রসেসর মোবাইল ফোনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি মোবাইলকে স্মুথলি কাজ করার জন্য প্রসেসরের ভূমিকা অপরিসীম। মোবাইলের প্রসেসর যত বেশি হবে মোবাইল দিয়ে তত জটিল কাজ ভালোভাবে করা যাবে। আর এজন্য অবশ্যই আধুনিক প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে এমন স্মার্টফোন নির্বাচন করা উচিৎ।

র‌্যাম ও রমঃ আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন যে সকল স্মার্টফোন বাজারে আসছে প্রায় সকল মোবাইলের ক্ষেত্রে র‌্যাম ও রমকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এ ক্ষেত্রে বলা যায় যে মোবাইলের র‌্যাম বেশি হলে অনেক ভারি সফটওয়্যার খুব সহজেই রান করা যায় এবং রম বেশি হলে ডাটা রাখার জন্য আলাদাভাবে মেমরী কার্ড ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না।

ডিসপ্লেঃ বর্তমান সময়ের স্মার্টফোন গুলোতে সব ফিচার্স বেশি থাকলেও ডিসপ্লের ক্ষেত্রে কিছুটা দুর্বল। ডিসপ্লেতে ফুল এইচডি বা ৪কে ভিডিও সাপোর্ট করলেও ডিসপ্লের রেজ্যুলেশন ও ডেনসিটি অনেক কম থাকে। যার ফলে ৪কে ভিডিও সাপোর্ট করলেও কাঙ্খিত মানের ভিডিও পাওয়া যায় না। কাঙ্খিতমানের ভিডিও পেতে হলে অবশ্যই এর ডেনসিটি বেশি হতে হবে।

ব্যটারি ব্যাকআপঃ আপনার স্মার্টফোন আপনাকে কি পরিমানে সুবিধা প্রদান করবে তা নির্ভর করবে আপনার মোবাইলের ব্যাটারি ব্যাকআপের উপরে। একটি স্মার্টফোনের ব্যাটারি একচার্জে সারাদিন ব্যাকআপ না দিলে অনেক বিরক্ত বোধ হয়। তাই সর্বনিম্ন হলেও ৪০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার হওয়া উচিৎ।

অন্যান্য ফিচার্সঃ রিমোর্ট কন্ট্রোল সিস্টেম থাকলে এর জন্য আলাদা সুবিধা পাওয়া যাবে স্মার্টফোন থেকে। হঠাৎ টিভির রিমোট কাজ না করলে স্মার্টফোনকে টিভির হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও শাররীক ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য কিছু কিছু স্মার্টফোনের হেলথ বিষায়ক সফ্যটওয়্যার যুক্ত করা থাকে যা স্বাভাবিকভাবে শরীর সুস্থ থাকার জন্য অনেক হেল্পফুল।






ads
ads