ফাইজারের টিকা : দরিদ্র দেশের জন্য এলো হতাশার খবর

হতাশার খবর
- ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১১ নভেম্বর ২০২০, ১৮:৫৮

করোনায় বিপর্যস্ত বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে টিকার দিকে। বিশ্ববাসীকে আশা দেখাতে শুরু করেছে ফাইজারের টিকা। কিন্তু এরকম সময়ে টিকাটির ব্যাপারে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশের জন্য এলো মনখারাপ করা খবর।

জানা গেছে, এ টিকা সংরক্ষণ করতে হবে মাইনাস ৮০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। ফলে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই ভ্যাকসিন বন্টন সহজ হবে না। এছাড়া দুটি ডোজের প্রয়োজন হওয়ায় সকলেই দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করবে এর পুরো নিশ্চয়তা দেয়া যায় না।

মার্কিন ওষুধ কোম্পানি ফাইজার ঘোষণা দিয়েছে তাদের উদ্ভাবিত কোভিডের ভ্যাকসিন ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকর। তবে অধিক কার্যকারিতার জন্য ভ্যাকসিনটির দুটি ডোজ প্রয়োজন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কার্যকর হয়। তিন সপ্তাহের ব্যবধানের দুটি ডোজ দেয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাকসিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) জরুরি ব্যবহার অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, ফাইজারের টিকা সংরক্ষণ করতে হবে মাইনাস ৮০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। এ কারণে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই ভ্যাকসিন বন্টন সহজ হবেনা। দুটি ডোজের প্রয়োজন হওয়ায় সকলেই দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করবে এর শতভাগ নিশ্চয়তা দেয়াও কঠিন।

গবেষণায় দেখা গেছে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের (এইচপিভি) ভ্যাকসিন গ্রহণকারী এক তৃতীয়াংশ নারীই পরবর্তীতে দ্বিতীয় ডোজ নেননি।

এদিকে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন দেয়ার পর মানবদেহে কতোদিন অ্যান্টিবডি থাকে তা নিয়েও পূর্ণাঙ্গ গবেষণা হয়নি এখনো। তবে পুনরায় আক্রান্ত হতে পারে অনেকেই এমন প্রমাণও পাওয়া গেছে। আক্রান্ত হওয়ার পর বা ভ্যাকসিন গ্রহণের পর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলেও তা কয়েক মাসের বেশি স্থায়ী হয় না।

ডিজিজ ইকোলজিস্ট মার্ম কিলপ্যাট্রিক জানান, অ্যান্টিবডি ক্ষণস্থায়ী হলে বুস্টার শট দেয়ার পরিকল্পনা প্রয়োজন।

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads