হজের সময়ের সুন্নত আমল


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ জুন ২০২২, ১৪:৫৮

হজের সময় নিম্নোক্ত আমলগুলো করা সুন্নত—

১. ইহরাম বাঁধার সময় গোসল বা অজু করা এবং শরীরে সুগন্ধি মাখা। (তিরমিজি, হাদিস : ৭৬০)

২. নতুন বা পরিষ্কার চাদর পরা এবং তা সাদা হওয়া উত্তম। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৪৮৯৯)

৩. ইহরাম বাঁধার পর দুই রাকাত নামাজ আদায় করা। (মুসলিম, হাদিস : ২০৩১)

৪. বেশি বেশি তালবিয়া পড়া।  (মুসলিম, হাদিস : ২২৪৬)

৫. মক্কাবাসী ছাড়া অন্যরা তাওয়াফে কুদুম করা। (মুসলিম, হাদিস : ২১৩৯)

৬. মক্কায় অবস্থানের সময় বেশি বেশি তাওয়াফ করা। (তিরমিজি, হাদিস : ৭৯৪)

৭. ‘ইজতিবা’ করা। আর তা হলো তাওয়াফ আরম্ভ করার আগে চাদরের এক দিককে নিজের ডান বাহুর নিচে রাখা এবং অপর দিককে বাঁ কাঁধের ওপর পেঁচিয়ে দেওয়া। (তিরমিজি, হাদিস : ৭৮৭) 

৮. তাওয়াফের সময় ‘রমল’ করা। রমলের পদ্ধতি হলো তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করের সময় ঘন ঘন কদম ফেলা এবং উভয় কাঁধকে হেলতে হেলতে চলা। (বুখারি, হাদিস : ১৫০১)

উল্লেখ্য, ‘রমল’ ও ‘ইজতিবা’ ওই তাওয়াফে করা সুন্নত যে তাওয়াফের পরে সাঈ করা হয়।

৯. সাঈ করার সময় উভয় মিলাইনে আখজারাইন বা সবুজ বাতির মধ্যখানে জোরে হাঁটা। এটা পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য। (মুসলিম, হাদিস : ২১৩৭)

১০. তাওয়াফের প্রত্যেক চক্করে হাজরে আসওয়াদে চুমু দেওয়া। চুমু দেওয়া সম্ভব না হলে হাজরে আসওয়াদের দিকে হাত উঁচিয়ে ইশারা করে হাতে চুমু দেওয়া। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬০০)

১১. কোরবানির দিনগুলোতে মিনায় রাত যাপন করা। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬৮৩)

১২. ইফরাদ হজ আদায়কারীর পক্ষ থেকে হাদি দেওয়া। (মুসলিম, হাদিস : ২১৩৭)

মানবকণ্ঠ/এআই


poisha bazar