মর্যাদার রাত শবে কদর

মর্যাদার রাত শবে কদর - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির
  • ২১ মে ২০২০, ০১:৫২,  আপডেট: ২১ মে ২০২০, ১১:০৩

আজ ২৭ রমজানুল মোবারক ১৪৪১ হিজরী। ‘কদর’ এটি আরবি শব্দ। এর এ অর্থ মর্যাদা ও মাহাত্মা। এখানে বলা প্রয়োজন, কেন এই রাতটিকে শবে কদর বা কদরের রাত বলা হয়। একজন বান্দা জীবন সাহারায় বিশাল পথ অতিক্রম করেছে।

প্রভুর দেয়া অগণিত নিয়ামত ভোগ করেছে। পাপের কলংক মুছে গিয়েছে তার প্রকৃত অস্থিত্ব। মানবতার কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট নেই তার জীবন সংসারের কোথাও।

মানুষ হিসেবে শির উঁচিয়ে দাঁড়াতে পারছে না। সে আজ বড় অসহায়। হতমান লাঞ্ছিত এই অভাগার জীবনেও যদি একটি ‘লাইলাতুল-কদর’ এসে দাঁড়ায় যদি একটি শবে কদরের আহ্বান ও ধ্বনিত হয় তার জিন্দেগীতে, আর সে যদি সে রাতে অতীতের কৃত সকল পাপ কর্মের অনুশোচনায় বিগলিত মন নিয়ে ইবাদত করতে পারে।

সকল অপরাধ বর্জনের বলিষ্ঠ শপথে প্রত্যয়ী হতে পারে। আগামী জীবনে আর ঘূর্ণাক্ষরেও পাপ না করার সংকল্পে বদ্ধপরিকর হয়ে দুচোখে অনুতাপ দগ্ধ অশ্রুবিন্যা প্রবাহিত করে হৃদয় খুলে তওবা করতে পারে, যদি কাটাতে পারে নিখুঁত ইবাদত সাধনায় এমন একটি মহিমান্বিত রজনী তাহলেই বদলে যাবে তার এই আঁধার জীবন এক মহিমান্বিত জীবনে।

আর এভাবেই শবে-কদর সম্মান ও মর্যাদার রাত। একটি অসহায় ও অবহেলিত জীবনে এনে দেয় চিরন্তন মর্যাদার প্রবাহ। সেখানে থাকে না তখন আর অপরাধের বিন্দু চিহ্ন। তখন আর বুঝতে কষ্ট হয় না। সত্যিই শবে-কদর মহিমান্বিত জীবনের আশ্বাস সম্বলিত জীবনের পয়গাম।

শবে কদর ঐ মহিমান্বিত রাত, যে রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদত অপেক্ষা উত্তম। এই রাতকে পুরো মাসব্যাপী তালাশ করতে হুকুম করা হয়েছে। আর শেষ দশ বেজোড় রাতে তালাশের বিশেষ হুকুম করা হয়েছে।

যদি এই রাতসমূহ জাগরণ সম্ভব না হয় তাহলে ২৭ এর রাত্রে তুলনামূলক অধিক ইবাদত করবে। শবে কদরের সওয়ার হাসিলের জন্য নূর ইত্যাদি দেখা আবশ্যক নয়। সকলেই রমজানের প্রতি রাত্রে অধিক পরিমাণ ইবাদত করা উচিত।

মানবকণ্ঠ/এমএইচ





ads







Loading...