রমজান নিজেকে শুদ্ধ করার মাস

রমজান নিজেকে শুদ্ধ করার মাস
রমজান নিজেকে শুদ্ধ করার মাস - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির
  • ১২ মে ২০২০, ০৩:০৩,  আপডেট: ১২ মে ২০২০, ১০:০০

আজ আঠারোতম রমজান ১৪৪১ হিজরি। নবীয়ে করীম (সা.) বলেন রমজান মাস হলো সহানুভূতির মাস। অর্থাৎ গরিব-দুঃখীদের প্রতি নম্র ব্যবহার করবে।

নিজের ইফতারির জন্য দশটি জিনিস তৈরি হলে তাদের জন্য কমপক্ষে দু-চারটা ব্যবস্থা করবে বরং উচিত হলো তাদের জন্য নিজের চেয়েও ভালো সাহেরি ও ইফতারের ব্যবস্থা করা।

সহানুভূতি ও আত্মত্যাগের অসংখ্য ঘটনাবলি সাহাবায় কেরামদের জীবনে পরিলক্ষিত হয় যা দেখে হতবাক হতে হয়। রমজান মাস সবরের মাস। আর সবরের বিনিময়ে আল্লাহপাক জান্নাত রেখেছেন।

এ মাস পরস্পরে সহানুভূতি ও শুদ্ধ করার মাস। এ মাসে মুমিনদের রিজিক বৃদ্ধি করে দেয়া হয়। যে ব্যক্তি রোজাদারদের ইফতার করাবে, তার গোনাহ সমূহ মাফ করে দেয়া হয়। এতে রোজাদারের সওয়াবের কোনো কমতি হয় না।

সাহাবায়ে কেরামগণ নবীয়ে করীম (সা.)-কে আরজ করলেন ইয়া রাসুলাল্লাহ। আমাদের মাঝে সকলে তো রোজাদারদের ইফতার করানোর সামর্থ্য রাখেন না। প্রিয় নবী (সা.) বললেন শুধুমাত্র একটি খেজুর বা একটু দুধ বা পানির শরবত দ্বারা ইফতার করাইলেও চলবে।

যে ব্যক্তি তার অধীনস্থ লোকদের প্রতি সদয় ব্যবহার করে তাঁর গোনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হয়। রমজান মাসকে হাদিস শরীফে শাহরুল মুওয়াসাতি বা সহানুভূতির মাস বলা হয়েছে।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসুলে পাক (সা.) সমগ্র মানব জাতির মধ্যে সবচেয়ে বড় উদার ও দানশীল ছিলেন। রমজান মাসে হজরত জিব্রাঈল (আ.) যখন নিয়মিত আসতেন তখন নবীয়ে করিম (সা.)-এর দানশীলতা আরো বহুগুণে বৃদ্ধি হয়ে যেত। (বুখারী ও মুসলিম)

রাসুল (সা.) এরশাদ করেন যে, যে ব্যক্তি নিজের পেট ভরে আহার করে অথচ তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত অবস্থায় থাকে, সে প্রকৃত ইমানদার নয়।

(বায়হাকী) রাসুলে পাক (সা.) উম্মতদের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে রমজান মাসে সদকা খয়রাত ও সাহায্যের হাত বেশি করে প্রসারিত করতেন এবং এ মাসটিকে মহানবী (সা.) দানশীলতার ব্যাপারে বিশেষ প্রশিক্ষণের মাস হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

মানবকণ্ঠ/এমএইচ





ads






Loading...