আজ পবিত্র হজ

আল্লাহর সান্নিধ্য লাভে আরাফায় ২০ লাখ মুসল্লি


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ আগস্ট ২০১৯, ০৯:০৬

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় জমায়েত পবিত্র হজ। ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে এটি একটি। মহান আল্লাহর আদেশ পালন ও তার সান্নিধ্য লাভ করতে মুসলমানরা আজ (৯ জিলহজ) সমবেত হয়েছেন আরাফাতের ময়দানে। সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ২০ লাখের বেশি ধর্মপ্রাণ মানুষ এবার হজব্রত পালন করতে এসেছেন।

সবার পথ এসে মিশেছে এক পথে, সেটি ঐতিহাসিক আরাফাতের পথ। লক্ষ্য সবার এক, গন্তব্য সবার নির্দিষ্ট, পোশাকও অভিন্ন। ইহজগতের সকল ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে একই পোশাকে মুসলমারা প্রার্থনারত হবেন মহান আল্লাহ পাকের নৈকট্য লাভের আশায়। গোটা আরাফাতের ময়দান আজ মুখরিত লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা ধ্বনিতে। মহানবী মোহাম্মদ (সঃ) বিদায় হজের অনুস্মরণে প্রদান করা হবে হজের খুৎবা।

মিনায় অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুৎবা দিবেন সৌদি আরবের গ্রান্ড মুফতি। তিনি পবিত্র কুরআন ও সুন্নার আলোকে বিশ্বের সকল মুসলমানের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। সমবেত মুসলমানরা মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় ইবাদৎ ও দোয়ায় মশগুল থাকবেন দিনভর আরাফাতে অবস্থান করে। শুনবেন হজের খুৎবা। পড়বেন এক আজানে ভিন্ন ভিন্ন ইকামতে জামাতে জোহর ও আসরের নামাজ। সমবেতভাবে দোয়া করবেন, নিজেদের বিগত দিনের গুণাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। পরিবার পরিজনসহ দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে আল্লাহর অনুগ্রহ চাইবেন। কারণ এই দিন আল্লাহপাক সর্বাধিক মানুষকে ক্ষমা করে থাকেন। এটি একটি দোয়া কবুলের দিন।

এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের সঙ্গে হজব্রত পালনের জন্য আরাফাতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশ থেকে আসা লক্ষাধিক মুসলমান। পবিত্র হজব্রত পালন করতে আসা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ অবস্থান করছেন আরাফাতে ।

হাজিদের নিরাপত্তার জন্য সৌদি সরকার গ্রহণ করেছে কয়েক স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সেবার জন্য রয়েছে আধুনিক ব্যবস্থা সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী। আকাশে থাকবে নিরাপত্তা বাহিনীর হেলিকপ্টার। জরুরী কাজের জন্য অনুমোদন ছাড়া কোনো গাড়ি হজ সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আগে থেকেই। হজের অনুমতি ছাড়া মক্কায় প্রবেশের উপর জারি করা হয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।

সামরিক ও আধা সামরিকসহ নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। সূর্যাস্তের সঙ্গে হাজি সাহেবগণ যাত্রা করবেন মুজদালেফার উদ্দেশ্যে। সেখানে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ একসাথে আদায় করবেন এবং খোলা আকাশের নীচে রাত্রিযাপন করবেন। এরপর শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ ও কোরবানি করার মাধ্যমে মাথা মুন্ডন করে ইহরাম মুক্ত হয়ে হজের প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন।

মানবকণ্ঠ/এএম




Loading...
ads




Loading...