নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে ঊর্ধ্বগতি


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৩ আগস্ট ২০২১, ১৮:৫৯

বাজারে বেশ কয়েকটি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ভোজ্য তেলের দাম লিটার প্রতি পাঁচ থেকে আট টাকা বেড়েছে। চিনি ও ডালের দাম বেড়েছে পাঁচ থেকে ১০ টাকা। তবে কিছুটা কমেছে চালের দাম।

সোমবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৩৭-১৪০ টাকা কেজিতে। এর আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৩০-১৩২ টাকা। আর খোলা পামওয়েল বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১২৫-১২৮ টাকায় দরে। এক সপ্তাহ আগেও পামওয়েলের দাম ছিল ১১৮-২০ টাকা।

তবে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে বোতলজাত তেল। বাজারে বোতলজাত তেল বিক্রি হচ্ছে ১৪৯ টাকা লিটার। আর পাঁচ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৬৯৫-৭০০ টাকায়।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ বলছে, লিটার প্রতি সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে চার থেকে পাঁচ টাকা। সোমবার প্রতি লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে ১২৪ থেকে ১৩০ টাকা। আগের সপ্তাহে সয়াবিনের দাম ছিল ১২০ থেকে ১২৫ টাকা লিটার। অপরদিকে এক সপ্তাহ আগে ১০৬ টাকা দরে বিক্রি হওয়া পামওয়েল ছয় টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১২ থেকে ১১৬ টাকায়।

বাড্ডার ব্যবসায়ী এবিএম নূরুল হুদা বলেন, তেল-চিনি-ডালের দাম বেড়েছে। তবে কমেছে চালের দাম। ১০ দিনের ব্যবধানে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে আট টাকা। খোলা তেলের দাম বাড়লেও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে বোতলজাত তেল।

বাজারগুলোতে দেখা গেছে, অনেকটা চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো ও শিম। এক কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। আর শিমের কেজি ১৬০ টাকা।

এছাড়াও প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৬০-৭০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, করলা ও কচুর লতি ৪০ টাকা, বরবটি, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, ঢেঁড়স ও ধুন্দুল ৪০ টাকা, দেশি শসা ৫০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪২ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজিতে। আর আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। প্রতি কেজি দেশি রসুন ও আদা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও সোনালী ২১০ থেকে ২২০ টাকা, দেশি মুরগি ৪০০ থেকে ৪১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা ও খাসির মাংস ৮০০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মানবকণ্ঠ/এমএইচ



poisha bazar

ads
ads