ভিসা বাণিজ্যের কারণে বেড়েছে অভিবাসন ব্যয়

মানবকণ্ঠ
ছবি - সংগৃহীত।

poisha bazar

  • সেলিম আহমেদ
  • ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:১৭,  আপডেট: ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:৩২

ভিসা বাণিজ্যের কারণেই বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে অভিবাসন ব্যয়। আর এ ভিসা খরচ দিতে দিতে নিঃস্ব হচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা। সৌদি আরে কতিপয় অসাধু নিয়োগকর্তা, বাংলাদেশি ভিসা ব্যবাসয়ী ও দূতাবাস কর্মকর্তারা এক হয়ে এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের কারণে অন্যরা চাইলেও অভিবাসন খরচ কমাতে পারে না এমনটাই জানিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান মানবকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে অভিবাসন খরচ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি। সে তুলনায় আয় সবচেয়ে কম। এটার একটা বড় কারণ হলো, বাংলাদেশিরা যখন যেই বাজারে একটু বেশি যাওয়া-আসা করে, ওই বাজারেই ভিসা কেনাবেচার ব্যবসা শুরু হয়। ভিসা বের হওয়ার পর সে ভিসা একজন কেনে, সে আবার আরেকজনের কাছে বিক্রি করে। এভাবে হাতবদল হতে হতে ভিসার দাম অনেক বেড়ে যায়। ভিসা বাণিজ্যের জন্য একটি চক্র গড়ে উঠেছে। তারা দীর্ঘদিন থেকে ভিসা ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকার যে অভিবাসন খরচ নির্ধারণ করে দিয়েছে সেটা কিন্তু তারা কোনোভাবেই মানতে রাজি না। যার ফলে বিদেশ যেতে যে অতিরিক্ত টাকা লাগে সেই টাকার দায় কিন্তু শেষমেশ কর্মীর কাঁধেই এসে পড়ে। কর্মীকে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বিদেশ যেতে হচ্ছে।

কীভাবে অভিবাসন খরচ কমানো যায়? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কিন্তু কর্মী লাগবে। তাদের কাজের জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মী নিতে হবে। তাই বিশ্বের অনেক দেশ দাবি তুলতেছে, বিদেশ যাওয়ার জন্য কর্মীদের সব খরচ যাতে নিয়োগকর্তা বহন করেন। আমাদেরও এ দাবি তুলতে হবে। আবার অভিবাসন খরচ যদি কম হয়। যে খরচ করে কর্মী বিদেশ গিয়েছে সে টাকা যদি ৪-৫ মাসে তুলতে পারে। তাহলে সে কিন্তু অবৈধ আয়ের চিন্তা করবে না। ১৮-২০ ঘণ্টা কাজের চিন্তা করবে। কর্মীর মানসিক চিন্তাও থাকবে না। এভাবে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আমরা অনেকবার সরকারের পক্ষ থেকে শুনেছি, ভিসা বাণিজ্য বন্ধে উদ্যোগ নেয়া হবে। কিন্তু কার্যত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যারা অবৈধ হয়ে যাচ্ছেন, শুধু তারাই ভিসা বাণিজ্যের শিকার না, সাধারণ মানুষ যারা অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বিদেশ যাচ্ছেন, তারাও কিন্তু এর শিকার। আমি মনে করি, ভিসা বাণিজ্য বন্ধ করলে অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে।’

জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা’র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. সাজ্জাদ হোসাইন মানবকণ্ঠকে বলেন, আমাদের দেশে যারা ভিসা ব্যবসা করেন তারা নিজেরা প্রতিযোগিতা শুরু করেন। ভিসার দাম বাড়ার জন্য এটা একটা অন্যতম কারণ। আমাদের দেশে যেহেতু বেকারত্বের হার বেশি, বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রত্যাশী সংখ্যা বেশি তাই অতিরিক্ত দাম দিয়েও ভিসা কেনার লোকের অভাব হয় না। এভাবেই অভিবাসন ব্যয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভিসা ব্যবসয়ীদের এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে নিয়োগকর্তারাও জড়িত রয়েছে।

অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনার প্রধান উপায় হলো, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য অধিকাংশ শ্রমবাজার কিন্তু বন্ধ। শ্রমবাজার সংকুচিত হয়ে আসায় ভিসার দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ শ্রমবাজার চালু ও নতুন নতুন শ্রম বাজার খুঁজে বের করতে হবে। তাহলে অভিবাসন ব্যয় কমে আসবে।

এদিকে সাম্প্রতিককালে বেড়েছে সৌদি থেকে বাংলাদেশি শ্রমিকের ফেরতে মিছিল। ফেরত আসা শ্রমিকদের অনেকের আকামা (কাজের অনুমতিপত্র) থাকা সত্ত্বেও তাদের ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি সরকার। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে তাদের ছাড়িয়ে নিতে আসেন না নিয়োগকর্তারা। তবে ফেরত আসা শ্রমিকদের অনেকেই ফ্রি ভিসায় সৌদিতে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

সৌদি দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, সৌদি সরকার সেদেশে অবৈধ কর্মীদের সাধারণ ক্ষমা গ্রহণের সুযোগ দিয়েছিল তিনবার। এর মধ্যে ২০১৩ সালে ৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৮৬ জন বাংলাদেশি কর্মী সেই সুযোগের জন্য আবেদন করেছিলেন। সৌদি সরকার ২০১৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত আবার প্রবাসী কর্মীদের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ দেয়। এরপর আর সৌদি সরকার ক্ষমার সুযোগ দেয়নি। এ সময় সৌদি ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে জেল-জরিমানা ছাড়াই ৪২ হাজার অবৈধ কর্মীকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

ওই কর্মসূচির অধীন যারা সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করেনি, তাদের জন্য সৌদি সরকার ‘নেশন উইদাউট ভায়োলেটরস’ নামে একটি প্রোগ্রাম চালু করে। ওই প্রোগ্রামের আওতায় সৌদি সরকার আকামা, বর্ডার ও শ্রম আইন ভঙ্গকারীদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে।

ঢাকায় ইমিগ্রেশন সূত্রের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরেছে ২০০৮ সালে ৩৮ হাজার ২৮৩ জন, ২০০৯ সালে ২৭ হাজার ৩০৪ জন, ২০১০ সালে ১৪ হাজার ১০৭ জন, ২০১১ সালে ১৬ হাজার ১৭ জন, ২০১২ সালে ৭০ হাজার ৬৪৬ জন, ২০১৩ সালে ১৫ হাজার ১২৮ জন, ২০১৪ সালে ১৫ হাজার ৭৭১ জন, ২০১৫ সালে ১৩ হাজার ৬৮০ জন, ২০১৬ সালে ৯ হাজার ৯জন, ২০১৭ সালে ১৬ হাজার ৩৭৪ জন এবং ২০১৮ সালে ২৪ হাজার ২৭২ জন।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (মিনিস্ট্রি অব ইন্টেরিয়র) দেয়া তথ্যমতে, এ বছরের ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ৭৬৯ জন বিদেশি কর্মীকে আকামা, শ্রম ও বর্ডার আইন ভঙ্গ করায় আটক করা হয়েছে। এদের বেশিরভাগই ইয়েমেন ও ইথিওপিয়ার নাগরিক। ২০১৫ সালে সৌদি সরকার ১ হাজার ৬৮৩ জন, ২০১৬ সালে ৩ হাজার ১৫৬ জন, ২০১৭ সালে ৪ হাজার ১৮৩, ২০১৮ সালে ১১ হাজার ৭৮ জন বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। তবে, ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১৩ হাজার ৩০১ জন বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফেরত এসেছেন বলে দূতাবাসের পাঠানো এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

সৌদি সরকারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে এ বছরের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক লাখ ৫ হাজার ৮৯৯ জন বাংলাদেশি কর্মী তাদের কর্মস্থল থেকে পালিয়ে অবৈধ হয়েছেন।

সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফেরত পাঠানো কর্মীদের বেশিরভাগই তথাকথিত ‘ফ্রি ভিসা’র সৌদি আরবে গিয়ে নিয়ম বহির্ভূত বিভিন্ন কাজে যুক্ত হন। দূতাবাস যাচাই করে দেখেছে এসব ‘ফ্রি ভিসার’ শতকরা ১০০ ভাগই দূতাবাসের সত্যায়িত না। অভিযোগ আছে, কিছু বাংলাদেশি অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি দূতাবাসের সত্যায়ন ছাড়াই ঢাকা থেকে সত্যায়ন করে ‘ফ্রি ভিসা’র মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কাজ ছাড়াই সৌদি আরবে কর্মী পাঠায়। এরপর কাজ না পেয়ে অবৈধ কাজে লিপ্ত হন ওই কর্মীরা।

সৌদি আরবের ‘নেশন উইদাউট ভায়োলেশন’ প্রোগ্রামের আওতায় ধরপাকড়ের কবলে পড়ে যারাই দেশে ফিরছেন, তাদের অধিকাংশেরই অভিযোগ, আকামা বা কাজের অনুমতি তৈরির জন্য কফিলকে টাকা দেয়া হলেও কফিল আকামা করে দেননি। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে চোখ উল্টে নিয়েছেন তাদের কফিলরা।

কর্মীদের দায়দায়িত্ব না নিয়ে উল্টো তাদের ভিসা বাতিল করে দেশে পাঠিয়ে দিতে বলছেন তারা (কফিলরা)। তাদের আরো অভিযোগ আকামা থাকা সত্ত্বেও তাদের খালি হাতেই দেশে পাঠিয়ে দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ‘ফ্রি ভিসা’র খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন তারা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে সৌদিতে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, সৌদি আরবে কাজের ক্ষেত্রে শুধু আকামার মেয়াদ থাকাই যথেষ্ট নয়। এক স্পন্সরের আকামা দিয়ে অন্য জায়গায় কাজ করলে সেটাও অবৈধ বলে গণ্য করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ফিরে আসা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের বেশিরভাগই তথাকথিত ‘ফ্রি ভিসা’য় সৌদি আরব গিয়েছিলে শুধু ভিজিট ভিসা কিংবা অন্য কোনো ক্যাটাগরির ভিসাকে ‘ফ্রি ভিসা’ নাম দিয়ে যে কোনো কাজ করার একটি পদ্ধতি দীর্ঘদিন চালু ছিল মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে।

সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, দুবাই, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে এই ‘ফ্রি ভিসা’ বেশি খোঁজেন বিদেশগামী বাংলাদেশি শ্রমিকরা। এসব দেশে ফ্যামিলি ভিসা, ভিজিট ভিসা, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারিং ভিসা, খাদেম (গৃহকর্ম) ভিসা, কোম্পানির ভিসাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা দিয়ে থাকে।

যারা সৌদি আরবে গিয়ে কাজ করেন তারা আবার সেখান থেকে আত্মীয়দের জন্য এই ‘ফ্রি ভিসা’ সংগ্রহ করে পাঠান। এতদিন সেই ভিসায় গিয়ে নির্দিষ্ট কাজের বাইরে অন্য কাজ এমনকি ছোটখাটো ব্যবসাও করতেন বাংলাদেশিরা। সেক্ষেত্রে সৌদি স্পন্সরকে মাসিক ভিত্তিতে কিছু টাকা দিলেই খুশি হতেন তারা। যখন আকামা নবায়নের প্রয়োজন হতো তখন স্পন্সরই নবায়ন করে দিত। আবার সৌদি আরবে যেসব ছোট কোম্পানির লোক নিয়োগের সক্ষমতা কম, তারা একেবারেই কম লোকের চাকরির অনুমোদন নিয়ে থাকে। ওই কোম্পানির নামে তখন শ্রমিকদের জন্য ভিসা ইস্যু হয়। পরে ওই কোম্পানির মালিকের কাছ থেকেও বাংলাদেশিরা আকামা নিয়ে অন্য জায়গায় কাজ করেন। ২০১৭ সালে সৌদি সরকারের ক্ষমার সুযোগ শেষ হওয়ার পর এবং ১২টি নির্দিষ্ট সেক্টরে সৌদিকরণ করার কারণে ‘ফ্রি ভিসা’য় সেদেশে গমনকারীরা হয়ে পড়েন অবৈধ। তাদের বেশিরভাগই খালি হাতে দেশে ফিরে আসেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এমন অনেক সৌদি নাগরিক রয়েছে, যাদের কাজ হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার ভুয়া চাহিদাপত্র দেয়া। বাংলাদেশি দালালরা এসব চাহিদাপত্র একদামে কেনেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ওই চাহিদাপত্র কিছুটা বেশি দামে কেনেন রিক্রুটিং এজেন্সিরা। পরে সেই চাহিদাপত্র দূতাবাস থেকে সত্যায়িত করে কর্মীর জন্য ভিসা সংগ্রহ করা হয়। সেই ভিসা সৌদিগামী কর্মীর কাছে বিক্রি করা হয় দ্বিগুণেরও বেশি দামে। সৌদি আরবে সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা হলেও বাস্তবে চার থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করে সৌদি আরবে যাচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা।

‘ফ্রি ভিসা’র বিষয়ে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে পুরুষ কর্মী পাঠানোর কোনো চুক্তি নেই। শুধু নারীকর্মী পাঠানোর জন্য একটি সমঝোতা স্মারক আছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট কাজের চুক্তির মাধ্যমে ভিসা ইস্যু করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ভিসার সব খরচ নিয়োগকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বহন করে থাকে। তিনি বলেন, ‘ফ্রি ভিসা’ বলে কিছু নেই। মূলত কিছু অসাধু বাংলাদেশি স্থানীয়দের (সৌদি নাগরিক) যোগসাজশে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা পদ্ধতি চালু করেছে। শুধু সৌদি আরবই না, আসলে মধ্যপ্রাচ্যে ‘ফ্রি ভিসা’ বলে কিছু নেই।

ফ্রি ভিসা প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট মো. সাজ্জাদ হোসাইন মানবকণ্ঠকে বলেন, ফ্রি ভিসা বলতে আসলে কোনো ভিসা নাই। ওই দেশের কিছু অসাধু নিয়োগকর্তারা ফ্রি ভিসা বের করে বাঙালিদের কাছে বিক্রি করে। বাঙালিরা ওই ভিসার মাধ্যমে তাদের আত্মীয়স্বজনকে নেয়। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর নিয়োগকর্তা আকামা করে দেয়, কিন্তু কোনো কাজ দেয় না। বলে, যো কোনো কাজ করে। এজন্য মাসে মাসে আবার নিয়োগকর্তাকে লাভ দিতে হয়।

মানবকণ্ঠ/জেএস




Loading...
ads






Loading...