বিষখালী নদীতে ফেরি স্থাপনে মন্ত্রণালয়ের নীতিগত অনুমোদন

ফাইল ছবি

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ০৬ অক্টোবর ২০২১, ১৪:০৩,  আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৫৯

ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার বিষখালী নদীতে কচুয়া টু বেতাগী ফেরি চালুর জন্য বুধবার (৬ অক্টোবর) সকালে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে নিতিগত অনুমোদন হয়েছে। আরএইচডির কাছে ফেরি চালানোর জন্য জনবল সংক্রান্ত কিছু তথ্য চেয়েছে কমিটি এ তথ্য পেলেই চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপসচিব ফাহমিদা হক খান ফাইল তুলবেন। পরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়ের সচিব ও মন্ত্রী ফাইল অনুমোদন করবেন।

সওজ হেড কোয়ার্টার সূত্র জানায়, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস গত ২৬ আগস্ট বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক বরাবরে পএ প্রেরন করে নদীর হাইড্রোগ্রাফি প্রতিবেদন চায়।২০১৬ সাল থেকে সওজ পএ দিলেও কোন রিপোর্ট সওজ পায়নি।

বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব আতিকুর রহমান রুবেল জানার পরপরই বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডোর গোলাম সাদেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি নদীর ‍ম‍্যাপ খরচ নিজে দিয়ে গত পহেলা সেপ্টেম্বর বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক শামছুন্নাহার স্বাক্ষরিত পএ সড়ক পরিবহন অধিদপ্তরে পৌছে দেন। একই সঙ্গে

 সওজ হেড কোয়ার্টার থেকে চীফ ইজ্ঞিনিয়ার আব্দুস সবুর স্বাক্ষরিত পএ ০৬ সেপ্টেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এ পএের আলোকে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে উপসচিব ফামিদা হক খান ফাইল তোলার পরে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মালেক এর সভাপতিত্বে আজ বুধবার মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, বিগত প্রায় ২৪ বছর থেকে বছর আগ থেকে বিষখালী নদীতে ফেরি চলাচলের দাবি ছিল ওই এলাকার জনগনের। এ ফেরি চালুর বিষয়টি গত ২৫ বছরেও মন্ত্রণালয়ে মিটিং পর্যায়ে কেউ নিতে পারেনি। সম্প্রতি কাঠালিয়া-রাজাপুর আসনের সংসদ সদস‍্য বিএইচ হারুন এর সহযোগিতা নিয়ে আতিকুর রহমান রুবেল বিষখালী নদীর কচুয়া টু বেতাগী স্থানে ফেরি স্থাপনের জন‍্য ফাইল  সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নিয়েছেন। এরপরই প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।

খবরটি জানতে পেরে আনন্দিত হয়েছেন কচুয়া বেতাগী এলাকার সাধারণ মানুষ। ঝালকাঠি জেলা পরিষদ সদস্য ও কচুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম আমিরুল ইসলাম লিটন বলেন, কয়েক যুগ পর কচুয়া টু বেতাগী স্থানে ফেরি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়ায় গনশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এপিএস আতিকুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞ এলাকাবাসী।


poisha bazar

ads
ads