নীতিশাস্ত্রকে ব্যবসা শিক্ষায় সম্পৃৃক্ত প্রসঙ্গে


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৫ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৫৬

ড. পল্টু দত্ত

একটি সময়োপযোগী এবং নৈতিক শিক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য যা সামাজিক অগ্রগতির জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জাতীয় শিক্ষা কোনো ব্যক্তির নৈতিকতা বিকাশ করতে, তাদের প্রচলিত চিন্তাভাবনার গণ্ডির বাইরে চিন্তাভাবনা করতে এবং নৈতিকতার সঙ্গে কাজ করতে, কোনটি ভুল এবং কোনটি ভালো তা চিহ্নিত করতে এবং সমাজে তাদের কর্মের পরিণতিগুলো শনাক্ত করতে সহায়তা করে। এই ধরনের শিক্ষা নাগরিকদের সঠিক জ্ঞান এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির প্রজ্ঞার বহির্প্রকাশ ঘটায়। এই ধরনের শিক্ষা সৃজনশীল এবং উদ্ভাবনী মনের বিকাশে সহায়তা করে,

যা সুস্থ ও দায়বদ্ধ একটি সমাজ গঠনে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সমাজকে এই নৈতিক শিক্ষার পথ ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো অর্থনীতির সুব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং সীমাবদ্ধ সম্পদকে সুবিচার ও বুদ্ধি দিয়ে পরিচালিত করা। এটি শিক্ষার গুণগত মান এবং নৈতিক বিকাশের জন্য অতীব প্রয়োজন। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এইক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালনে এগিয়ে আসতে হবে এবং অবশ্যই শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষাদানে ব্রতী হতে হবে, যাতে তাদের কর্মজীবনজুড়ে নানাবিধ চ্যালেঞ্জকে সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয় এবং সর্বাধিক কল্যাণকে লালন এবং ধারণ করেই সমাজের সেবা করতে পারে। একটি ভালো শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হলো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো এবং প্রয়োজনে বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্গঠিত করা যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতার জগতে প্রবেশ করতে পারে এবং এই ধরনের মৌলিক শিক্ষাকে পরিপূর্ণ জীবন গঠনের মূলমন্ত্র হিসাবে গ্রহণ করতে পারে।

সুতরাং, এই জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসরুমে যা শিখেছে তা অনুশীলন করতে সক্ষম হয়, যার ফলে ব্যবস্থাপনা শিক্ষার (সধহধমবসবহঃ বফঁপধঃরড়হ) তাত্ত্বিক ভিত্তি শক্তিশালী হয়। সম্ভাব্য নিয়োগকারীরা বা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাংগঠনিক সাফল্যের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়ার জন্য স্বাভাবিকভাবে এই ধরনের মেধাবী এবং সৎ তরুণদেরকেই সর্বাগ্রে স্বাগত জানায়। এই কারণেই কোনো দেশ বা সমাজ একটি টেকসই, সমৃদ্ধ, দায়িত্বশীল এবং নৈতিক জাতি গঠনের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষার গুরুত্বকে উপেক্ষা করতে পারে না। বিকল্প পন্থা সমাজের সার্বিক অগ্রগতির অন্তরায় এবং সমাজের জন্য মারাত্মক পরিণতিসহ দারিদ্র্য, সামাজিক বৈষম্য, মূল্যবোধহীন এবং অসম সমাজ সৃষ্টি করতে পারে। ১৩০৮ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর  নৈবদ্য কাব্যগ্রন্থের এক কবিতায় তখনকার পৃথিবীর যে চিত্র এঁকেছিলেন, দুর্ভাগ্যক্রমে ঐ চিত্রই আজকের পৃথিবীর জন্যেও সত্য: “স্বার্থে স্বার্থে বেধেছে সংঘাত; লোভে লোভে ঘটেছে সংগ্রাম; প্রলয়মন্থন ক্ষোভে ভদ্রবেশী বর্বরতা উঠিয়াছি জাগি পংকশয্যা হতে।”

পৃথিবীর এই নির্মম বাস্তব সত্য সম্বন্ধে আমরা কেউ আজ উদাসীন থাকতে পারি না। সমাজে আজ ভদ্রবেশী কুশিক্ষিত অসৎ বর্বরতার দাপট বেশি বেড়ে গেছে, যারা ভয়ানক ক্যান্সারের মতো সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়েছে। আত্মত্যাগ, ভালোবাসা, ন্যায়নিষ্ঠা, সৎ সাহস ইত্যাদি যেসব মূলবোধগুলোকে সম্বল করে বাংলার মানুষ মৃত্যুকে তুচ্ছ করেছে, সেই মূল্যবোধগুলোর পুনরুদ্ধারে প্রয়োজন একটি টেকসই নৈতিকতাপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা। একটি সঠিক ও নৈতিক শিক্ষাব্যবস্থা নাগরিকদের সার্বিক মানবিক বিকাশে সহায়তা করবে যারা সামাজিক দায়বদ্ধতাকে অতি গুরুত্বের সঙ্গে ভাববে এবং সৎ, যোগ্য ও নৈতিক নাগরিক হিসাবে নিজকে তৈরি করে তুলবে। তবে, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা যে একটি অচলাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলস্বরূপ আত্মসন্দেহ এবং নাগরিকদের সৎ মনোবল হ্রাস পাচ্ছে দিন দিন যা সা¤প্রতিক দশকগুলোতে শুধু আমাদের দেশেই নয় বরং বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে নৈতিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যা ব্যক্তিকে আরো উন্নত, মানসিকভাবে সমৃদ্ধ এবং ন্যায়পরায়ণ হতে সাহায্য করে। তবে আমরা সকলেই অনুধাবন করতে পারছি যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারেই একটা নাজুক পরিস্থিতিতে আছে।

গত দুই দশক ধরে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী অনেক বড় কর্পোরেট কেলেঙ্কারিগুলো ইঙ্গিত দেয় যে সমাজের প্রতি সাংগঠনিক নৈতিক কর্তব্যগুলো অনুপস্থিত। সমাজে ও কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তি-আচরণের ব্যর্থতার জন্য কি শিক্ষা ব্যবস্থাকে দোষ দেয়া যেতে পারে? কর্পোরেট অসদাচরণ এবং অনৈতিক সামাজিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপের দায়ভার কে নেবে? লন্ডন বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক একজন ভারতীয় শিক্ষক এবং পণ্ডিত সুমন্ত্র ঘোষাল তার এক নিবন্ধে “খারাপ পরিচালনা তত্ত্বগুলো ভালো পরিচালনার অনুশীলনগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে” দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে: ইউএস বিজনেস স্কুলগুলোতে এমবিএ শিক্ষার্থীদের প্রায়শই লোভ এবং লাভের অনৈতিক তত্ত্ব প্রচারের মাধ্যমে যেভাবে শেখানো হয় সেগুলো সামাজিক বাধ্যবাধকতা এবং নৈতিক নীতিগুলোর সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরকে সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হচ্ছে।

তার এই মন্তব্য আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে। আমরা জ্ঞানের ভান করা ভণ্ডামির একটি সমাজে পরিণত হচ্ছি দিন দিন, যা মূলত সমাজের নৈতিক ও মূল্যবোধের দিকগুলোকে প্রত্যাখ্যান করছে, অনুমানমূলক যুক্তি এবং মানব ইচ্ছাকৃতির বর্জনের ওপর ভিত্তি কমরই  যেন তৈরি আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা। বাহ্যিক সম্পর্ক, তহবিল সংগ্রহের ক্রিয়াকলাপ, প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্বিই যেন প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকর্তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। তাই এই জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয়ের জন্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কিছুটা দোষ ভাগ করে নেয়া উচিত। আরেকটা ব্যাপার খুবই উল্লেখযোগ্য যে, দিন দিন অনেক শিক্ষাবিদ তাদের ছাত্রদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে এবং ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কের মধ্যে বিরাট ব্যবধান তৈরি হচ্ছে।

পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাটিই যেন যুগের সঙ্গে আর তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা নৈতিকতা এবং নীতিশাস্ত্র বিবর্জিত বলেই মনে হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে একটি তির্যক নৈতিক মনোভাব নিয়েই কর্মসংস্থানের জগতে প্রবেশ করছে। পরিণতি সম্পর্কে আমরা সকলেই কমবেশি জ্ঞাত। ব্যবসা এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি খুব সংকীর্ণ শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে যা প্রায়ই দুর্বল কাঠামোর ভিত্তিতে তৈরি এবং ফলশ্রুতিতে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা মোকাবিলায় অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছে।

যদিও কিছু কিছু ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই ব্যাপারে কিছুটা সজাগ এবং গুণগত মানের ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যাবস্থা কিছুটা দৃশ্যত, কিন্তু সমাজে তাদের ভূমিকা এবং দাত্বিশীল মনোভাবের মৌলিক নীতিগুলো ছাড়া শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদ বাড়ানোর সঙ্গে যুক্ত সমস্যাগুলোর দ্রুত এবং অস্থায়ী সমাধান পেতে খুব বেশি মনোনিবেশ করতেই দেখ যায়। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় তাদেও পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে কর্পোরেট গভর্নেন্স এবং কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারণাগুলো শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করে বটে কিন্তু দায়িত্বশীল নাগরিকের সার্বজনীন নীতি বিকাশের মাধ্যমে সম্প্রদায় এবং সামাজিক কল্যাণকে উন্নত করতে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। কিছুদিন আগে আমার এক আমেরিকান বন্ধু আমার সঙ্গে একটি আকর্ষণীয় নোট শেয়ার করেছিলেন যা কোনো এক বিখ্যাত লেখকের।

নোটটিকে এখানে সরাসরি দেয়া হলো: একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে, নিম্নলিখিত বার্তাটি চিন্তা করার জন্য পোস্ট করা হয়েছিল।

“যে কোনো জাতিকে ধ্বংস করার জন্য পারমাণবিক বোমা বা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। এর জন্য শুধুমাত্র শিক্ষার মান হ্রাস করা এবং শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরীক্ষায় প্রতারণার অনুমতি দেয়াই যথেষ্ট। এই ধরনের ডাক্তারদের হাতেই রোগীরা মারা যায় ...

এই ধরনের প্রকৌশলীদের হাতেই ভবন ধসে পড়ে।

অর্থনীতিবিদ এবং হিসাবরক্ষকদের হাতেই অর্থ হারিয়ে যায়। এই ধরনের ধর্মীয় পণ্ডিতদের হাতেই মানবতা মারা যায়।এই ধরনের বিচারকদের হাতেই বিচার ব্যবস্থার অবনতি ঘটে এবং হারিয়ে যায়।

শিক্ষার পতন একটি জাতির পতন”।

তাই শিক্ষা একটি জাতির হƒদয়, আত্মা এবং মেরুদণ্ড। বিশ্বব্যাপী আমরা আগের চেয়ে দ্রুত গতিতে নতুন নতুন জ্ঞান আহরণে এবং দক্ষতার মানোন্নয়ন করতে বাধ্য হচ্ছি। আমাদের জন্য সহযোগিতামূলক কাজের প্রসারণ করা এবং আরো দ্রুত গতিতে নিজেদেরকে রূপান্তরিত করার জন্যে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান এবং শিল্পোদ্যোগ গ্রহণে আরো সচল ভূমিকা রাখতে হবে। দুঃখের বিষয়, আমাদের জনগণের নৈতিক অবক্ষয়ের উদাহরণ দেখার জন্য খুব বেশি দূরে দেখার দরকার নেই, নীতি নির্ধারক থেকে শুরু করে কর্পোরেট কর্মকর্তা, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী, প্রায় সকলেই কোনো না কোনোভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক মুনাফিক আছে যারা ভাবেন তারাই সর্বেসর্বা এবং প্রতারণা করা তাদের নাগরিক অধিকার। একটি শিক্ষা ব্যবস্থা যার কোনো সঠিক উদ্দেশ্য নেই, তা অকার্যকর, অবাস্তব এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজ ব্যবস্থাসহ নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। যে কোনো শিক্ষা ব্যবস্থার একটি উদ্দেশ্য থাকে যার ওপর ভিত্তি করে তার নীতি, অনুশীলন এবং পরিচালনার মাধ্যম তৈরি হয়। জবাবদিহিতার অভাব এবং ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে সেই ধরনের শিক্ষাপদ্ধতি শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে না। আমরা সকলেই অর্থনৈতিকভাবেই অনুপ্রাণিত এবং খুব অল্পসময়েই বাহ্যিক সাফল্যকে হাতের মুঠোই পেতে চাই।

এ কথাটি নিশ্চয়ই বলা যায় যে বাংলাদেশের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা বাংলাদেশের বহু কর্পোরেট কেলেঙ্কারি (যেমন হলমার্ক গ্রুপ এবং অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান) এবং কর্পোরেট কর্মকর্তাদের সুবিধাবাদী আচরণের জন্য অনেকাংশেই দায়ী। একইসঙ্গে, আমাদের এও স্বীকার করতে হবে যে, একটি অনুপযুক্ত কর্পোরেট নৈতিক সংস্কৃতি, অন্যায্য কর্পোরেট অনুশীলন এবং সরকারি বিধিবিধানের অভাব একটি অনৈতিক জাতীয় সংকট তৈরি করে থাকে যা সমাজের জন্যে অত্যন্ত ভয়ানক। দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি মারাত্মক এবং কোনো জাতি এভাবে চলতে পারে না।

সুতরাং সময় এসেছে পুরো সমাজকে গুরুত্বসহকারে চিন্তা করার, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় সরকারকে নৈতিক শিক্ষা এবং ধারণা প্রচারের জন্য, সমাজ এবং পরিবেশের কল্যাণের জন্যে। এই কল্যাণের মাধ্যমেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মুনাফা অর্জনের দিকে মনোনিবেশ করতে বাধ্য করতে হবে। সেই ক্ষেত্রে জাতীয় সরকারকে দৃঢ়তার সঙ্গে আইন প্রণয়ন ও তার সঠিক প্রয়োগের সদিচ্ছা দেখাতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে অবিশ্বাস্যভাবে, কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার বিশেষ মৌলিক উপাদানগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ব্যবসায়িক বিভাগগুলোকে ঢেলে সাজাতে হবে এবং ব্যবসায়িক পাঠ্যক্রমে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা সবাই ইতিবাচক পরিবর্তনকে প্রভাবিত করতে পারি বিশেষ করে নৈতিক শিক্ষাকে শিক্ষার পাঠ্যক্রমে যুক্ত করে এবং বলিষ্ঠ আইন প্রয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ দেশ গঠনে। পরবর্তী প্রজšে§র জন্য এই হোক আমাদের দৃপ্ত অঙ্গীকার এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা।

লেখক: শিক্ষক, গবেষক এবং কলামিস্ট


poisha bazar

ads
ads