পুলিশের দোষ খোঁজাই কিছু মানুষের কাজ?

ইমতিয়াজ রনি

মানবকণ্ঠ
এসআই গৌরাঙ্গ মোহন রায়

poisha bazar

  • ১২ আগস্ট ২০২০, ২০:৩৭

সময়ে অসময়ে আলোচনা-সমালোচনায় পুলিশের ভুলভ্রান্তিগুলোই বেশি মুখরোচক হয়ে ওঠে। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশি তারা যে মানবিক কাজের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই তা আমরা ভুলে যাই। ভুলে যাই পুলিশ আমাদের মতো জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য সব সময় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। যারা রাত-দিন ধরে বৃষ্টিতে ভিজে, প্রখর রোদে দাঁড়িয়ে ক্লান্তিহীন ভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে তাদের কথা কেউ কি ভাবার নেই? নাকি শুধু তাদের দোষ খুঁজে বেড়ানোই কিছু মানুষের কাজ?

আমাদের হাতের পাঁচটি আঙ্গুল যেমন সমান নয়, ঠিক তেমনি সব পুলিশই যে খারাপ এমনটাও নয়। দু'–একজনের অপকর্মে পুরো পুলিশ বাহিনীকে সমালোচনায় বিদ্ধ করি আমরাই। তবে পুলিশ বিভাগে রয়েছে হাজারো সৎ ও একনিষ্ঠ সদস্য। যারা সাধারণ মানুষকে সহযোগিতার মতো মানবিক কাজগুলোও নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। তাদেরই একজন নওগাঁর বদলগাছী থানার মেধাবী-চৌকস পুলিশ অফিসার এসআই গৌরাঙ্গ মোহন রায়।

সৎ সাহসকে পুঁজি করে জনগণের শান্তির জন্য দিন-রাত এক করে সকল অন্যায়কে বিতাড়িত করে প্রশংসিত হচ্ছেন যে পুলিশ সদস্যরা তাদেরই একজন গৌরাঙ্গ মোহন রায়। যিনি বদলগাছী থানায় যোগদান করার পর থেকে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের নজর কাঁড়তে সমর্থ হয়েছেন। অক্লান্ত পরিশ্রমে অপরাধ দমনে যিনি দিন-রাত এক করে ডিউটি পালনের মাধ্যমে এগিয়ে চলছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মোঃ আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ-এর নেতৃত্বে যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালনে অপরাধ দমন ও মাদক নিমূর্লে জন্য চৌকস ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে জনগণের মাঝে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হয়েছেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি, মাদক, ওয়ারেন্ট আসামিসহ সকল অপরাধ দমনে এক দুর্দান্ত ভূমিকার পরিচয় দেন তিনি। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সংবাদ পাওয়া মাত্র থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর নজরে এলে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং সেখানকার সমস্যা সমাধান করেন।

তিনি বদলগাছী থানা এলাকার মাদক উদ্ধারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৯ সালে জানুয়ারি মাসে ১০৪ কেজি গাঁজা উদ্ধারের মাধ্যমে বদলগাছীর সাধারণ মানুষের নজর কাড়েন। পরবর্তীতে বদলগাছী থানা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, গাঁজার গাছ, হেরোইন, ফেন্সিডিল, চোলাই মদসহ নানা ধরনের মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। গত জুলাই মাসে ৬০ বোতল ফেন্সিডিল, ৬ কেজি গাঁজা ও ২৪ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেন। বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ-এর নেতৃত্বে বদলগাছী থানা থেকে মাদক নির্মূলে ও বদলগাছী থানা এলাকাকে দালাল মুক্ত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এ জন্য কিছু মাদক ব্যবসায়ী ও দালালচক্র তাকে সরানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্ত বদলগাছীর সাধারণ মানুষ তার পাশে আছে ও তাকে অনেক ভালোবাসে বলে দুস্কৃতিকারীরা অপচেষ্টা করে সফল হতে পারছে না।

বদলগাছী বিলাশবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান জনাব কোটু জানান, এসআই গৌরাঙ্গ একজন ভালো অফিসার। তিনি বিলাশবাড়ী এলাকার সাধারণ মানুষের খোঁজ খবর নেন এবং কোথাও মাদকের তথ্য পাওয়া মাত্রই তিনি সেখানে অভিযান চালিয়ে সেটা নিমূর্লের চেষ্টা করেন।

বদলগাছী কোলা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান জনাব স্বপন বলেন, এক সময় কোলা ইউনিয়নে প্রচুর মাদক বেচা-কেনা হতো। কিন্তু বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ যোগদানের পর তার নেতৃত্বে এসআই গৌরাঙ্গ মাদক নিমূর্লে কঠোর ভূমিকার রেখেছেন। বর্তমানে কোলা ইউনিয়নে মাদক নেই বললেই চলে। তাকে কোলা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ অনেক ভালোবাসে।

বদলগাছী উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তিতু বলেন, এসআই গৌরাঙ্গ মহন বদলগাছী থানা এলাকার মাদক উদ্ধারে যে ভূমিকা রেখেছেন তা দেখে বদলগাছীবাসী তার প্রতি আস্থা পেয়েছে। একটি কুচক্রীমহলের দু-তিনজন ব্যাক্তি তাকে সরানোর জন্য বিভিন্ন অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে যা বদলগাছীবাসী হতে দেবে না।

তার মতো অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ-এর নেতৃত্বে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে। যে কারণে নওগাঁ জেলার মধ্যে বদলগাছী থানা পুলিশের প্রশংসা অনেক বেশি।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads







Loading...