বাঙালির মহাকাশ বিজয়ের গল্পের নায়ক সজীব ওয়াজেদ জয়

সুজন হাজং

মানবকণ্ঠ
সজীব ওয়াজেদ জয় - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৭ জুলাই ২০২০, ১৬:০৩

আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বাংলাদেশ গড়তে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কোন বিকল্প নেই। হাতের মুঠোয় স্বপ্ন ছোঁয়া মেধাবী তারুণ্যের অদম্য শক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ তরুণদের জীবনে এনে দিয়েছেন অভাবনীয় সাফল্য। দেশের অসংখ্য শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিয়েছেন তিনি। তাদের জীবনে হতাশা থেকে নতুন আলোর পথ দেখিয়েছেন। দেশের কর্মবিমুখ তরুণ প্রজন্মকে বিশাল দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করেছেন। ঘরে বসে ইন্টারনেট থেকে আয় করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। তিনি দেশের হাজার হাজার তরুণদের শুধু চাকুরির উপর নির্ভর না করে উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন।

সজীব ওয়াজেদ জয়ের আশা জাগানিয়া বক্তব্য তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, উজ্জীবিত করে। তাদের নতুন করে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার করার পথ দেখায়।

একটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেয়া সজীব ওয়াজেদ জয়ের জীবনেও সংগ্রাম আছে। স্বপ্ন আছে, পরিকল্পনা আছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, বাবা বিখ্যাত পরমাণুবিজ্ঞানী ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়া। মা বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

সজীব ওয়াজেদ জয় শিক্ষা জীবনে চাকুরী করে নিজের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও সজীব ওয়াজেদ জয়কে টাকার অভাবে তাঁর মা যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) পড়াতে পারেননি।

সজীব ওয়াজেদ জয় ভারতের নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়া করেন। তারপর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক এবং পরে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নসারথী। সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রা সহজ, উন্নত ও গতিশীল হয়েছে। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তির যুগে প্রবেশ করেছে।

পোশাক শিল্প বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই শিল্পে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। বাংলাদেশে আইটি খাত যেভাবে দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে তা আগামীতে প্রবৃদ্ধি অর্জনে রপ্তানী পোশাক শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ফাইভ-জি ইন্টারনেট চালুর পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। প্রযুক্তিতে বাংলাদেশকে আরও উন্নত অবস্থানে নিয়ে যেতে চান তিনি। ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে নতুন মাত্রা সংযোজন করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বিশেষ করে শিক্ষা, চিকিৎসা, সরকারী সেবায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার জীবনকে সহজ করেছে। সময়কে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। এই করোনার মহামারীতে অনলাইনে ক্লাস চলছে। শিক্ষকের সাথে শিক্ষার্থীদের কথোপকথন হচ্ছে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। ঘরে বসেই চিকিৎসা সেবা চলছে অনলাইনে। ডাক্তারের সাথে রোগীদের স্কাইপের মাধ্যমে কথা হচ্ছে। ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমেই দেশে-বিদেশে চাকরির নিবন্ধন করা যাচ্ছে। বিভিন্ন সংবাদপত্র অনলাইনে পড়া যাচ্ছে অনায়াসে। কৃষি ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরে বসেই কৃষকরা কৃষিবিষয়ক সব ধরনের তথ্য ও পরামর্শ পাচ্ছেন। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল এখন গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দাঁড়গোড়ায় পৌঁছে গেছে। ‌‌

সজীব ওয়াজেদ জয়ের উদ্যোগে মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। বাঙালির মহাকাশ বিজয়ের গল্প লেখা হয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাতেই। আজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন। ১৯৭১ সালে আজকের এই দিনে তাঁর জন্ম যেন বাঙালি তথা বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংগ্রামের সাথে মিশে আছে। তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ প্রজন্মের বাতিঘর সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে পৃথিবীকে বাংলাদেশের হাতের মুঠোয় দেখতে চাই ।

লেখক : সুজন হাজং , গীতিকার ও কলামিস্ট ।

মানবকণ্ঠ/এইচকে

 





ads






Loading...