জেএমআইকে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে: দাবি সাবেক ছাত্রলীগ নেতার

আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান গণি
আওয়ামী লীগ নেতা ওসমান গণি - সংগৃহীত

poisha bazar

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • ২৩ এপ্রিল ২০২০, ১৩:৩৪,  আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২০, ১৮:০৮

জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রাজ্জাককে জামায়াত-শিবির বলে প্রচার চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এ প্রচার চালাচ্ছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও আবদুর রাজ্জাককে যারা চেনেন তেমন অনেকই এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন।

তাদেরই একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি। জেএম আই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রাজ্জাকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ফেসবুকে বিস্তারিত লিখেছেন তিনি। পাঠকদের জন্য স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো।

‘জে এম আই’ ৭০০০ কর্মকর্তা কর্মচারীর এই বিশাল কোম্পানি ও মালিকের প্রতি হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে একটি কুচক্রী মহল কর্তৃক মিথ্যাচার রটানো অত‍্যন্ত দু:খজনক ও তার জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি,যা ঘটেছে তা অনিচ্ছাকৃত ভূল। এই ঘঠনা তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্হা করা সরকারের দায়িত্ব এবং তা অবশ‍্যই করা হবে।

আবদুর রাজ্জাক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ১৮তম ব‍্যাচের ছাত্র, আমার ছোটভাই লোকমানের সহপাঠী এবং রুমমেট ছিল। রাজ্জাক আমার ছোট ভাইয়ের মত এবং আমাদের পরিবারের সাথে অত‍্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও আসা যাওয়া ছিল সেই ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত। তার রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টতা ছিল না। কিন্তু চিন্তা চেতনায় সবসময় প্রগতিশীল ও স্বাধীনতার সপক্ষে ছিল। রাজনীতিতে না থাকা সত্বেও মৌলবাদি ছাত্র শিবিরের হাতে সে অনেক হয়রানির শিকারও হয়েছে। ৮৬-তে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের ক্যুতে পালিয়ে আমার ভাই লোকমানের সাথে আমাদের গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। কারন সে শিবিরের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল সবসময়। ঐ সময় আমি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ছিলাম।

অত‍্যন্ত দুঃখের বিষয় আজ তাকে কিছু সাংবাদিক ও পত্রিকা শিবির বলে অপবাদ দিচ্ছে, যা ষড়যন্ত্রমূলক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ঘটনা যা ঘটেছে তা মোটেও কারো কাম্য নয়, এটা তদন্তের বিষয়। যেটা সরকারের দায়িত্ব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশ ও মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল আগ্রহের কারণে সে আজ এতদুর এগিয়ে গেছে,কিন্তু দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে সে এবং তার চিকিৎসা সামগ্রী প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠাটি যখন ৬০ ভাগ কর্মচারীর অনুপস্থিতি সত্ত্বেও মাত্র ৪০ ভাগ কর্মচারী নিয়ে শ্বাসরোধ‍্যকর পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে থেকে দেশ ও জনগণের সেবায় প্রানপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে,ঠিক তখনই চক্রান্তকারীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার এবং তার কোম্পানিগুলোর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে সক্রিয়।

আমি তৃণমূল থেকে একাধারে ৪৪ বৎসর ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামী লীগের একজন নির্যাতিত কর্মী হিসাবে,আমার চোখে এতবড় মিথ‍্যা অপবাদ ও অপপ্রচার কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিনা।আমি অপপ্রচারকারীদের প্রতি আমার ঘৃণা ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।সাথে সাথে দেশের জনগণ ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি ঐসব অসৎ ও মিথ‍্যাচারীদের কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

আজ আমি জোরালো কণ্ঠে বলতে চাই, রাজ্জাক কখনো শিবির করে নাই, সে একজন স্বাধীনতার পক্ষের লোক এবং শিবির বিরোধী ছিল। যে কোন প্রয়োজনে, বা কারো কোন প্রশ্ন বা আপত্তি থাকলে আমি তার জবাব দিতে, এমনকি এক নাম্বার স্বাক্ষী থাকতেও প্রস্তুত। আরো উল্লেখ্য যে, তার কোম্পানিগুলোতে ৭০০০ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ‍্যে কমপক্ষে ৫০ জন প্রাক্তন ছাত্রলীগ কর্মীও কাজ করে এবং একজনও শিবির কর্মী নাই।




Loading...
ads






Loading...