• বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ই-পেপার

শেখ হাসিনা হাসলে হাসে বাংলাদেশ


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:৪৪

ইফরান আল রাফি:

শেখ হাসিনা হলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা। দুটি শব্দের একটি নাম শেখ হাসিনা যা ১৬ কোটি বাঙালির কাছে আস্থা ও ভালোবাসার শেষ আশ্রয়স্থল। দুটি শব্দের এই নাম এখন বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিয়েছে একজন মমতাময়ী মানুষের পাশাপাশি একজন সফল বিশ্ব নেতা হিসেবে।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন মমতাময়ী জননী শেখ হাসিনা। শৈশব থেকে আজ অবধি অমসৃণ পথে এগিয়ে চলা একটি নাম শেখ হাসিনা।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই ভয়াল দিনে তাঁকে হারাতে হয়েছে মা, বাবা, ভাই ও বোনসহ পরিবারের আরো সদস্যকে। তারপরও তিনি বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে এগিয়ে চলেছেন।

১৯৯৬ সালে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে বাঙালির স্বপ্নপূরণের আলোকবর্তিকা হয়ে সরকার গঠন করেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাধ্যমে তিনি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে বিশ্ব মহলে প্রশংসনীয় হয়েছেন। মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য যার নিরন্তর পথ চলা। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির গভীর ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে ১৬ কোটি মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। যার সততা,ভালোবাসা, ত্যাগ, ন্যায় বিচার, দেশপ্রেম, বিচক্ষণতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব অতুলনীয়।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের ৩৮ টি সম্মাননা পদক এবং ১১ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ প্রমাণ করে শেখ হাসিনা সত্যিই অতুলনীয়। শেখ হাসিনা সরকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা, পুষ্টি উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন যা বিশ্বে রোল মডেল। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্প যেখানে অঙ্কুরে বিনষ্ট হচ্ছিল দেশরত্নের সাহসী পদক্ষেপের কারণে সেই পদ্মা সেতুর কাজ আজ নিজস্ব অর্থায়নে চলছে। শান্তিপূর্ণ সমুদ্র বিজয়,ছিটমহল বিনিময়,রোহিঙ্গা সমস্যার ইস্যুতে বেশ প্রশংসা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। উন্নয়নে রোল মডেলের পাশাপাশি মানবিকতায়ও বাংলাদেশ উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

মানবিক ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য শেখ হাসিনা ভূষিত হয়েছে মাদার অব হিউমিনিটি উপাধিতে। ৩৮ বছর যাবত ঝুলে থাকা ভারত ও মায়ানমারের সাথে সমুদ্র সীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে শেখ হাসিনা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ২০১৪ সালে ইউনেস্কোর কর্তৃক 'শান্তির বৃক্ষ', নারী ক্ষমতায়নের জন্য 'গ্লোবাল সাউথ সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো ২০১৪' , টেকসই উন্নয়নের জন্য 'চ্যাম্পিয়ন অব দি আর্থ' সম্মাননা পদক অর্জন করে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে শেখ হাসিনা। এক আন্তর্জাতিক জরিপে দেখা যায় দুর্নীতি স্পর্শ করেনি এমন পাঁচজন সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানের মধ্যে আমাদের মমতাময়ী জননী শেখ হাসিনার নামও রয়েছে। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গ মাইলের এই বাংলাদেশ শেখ হাসিনার হাত ধরেই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর পিতার স্বপ্ন পূরণের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের 'জিরো টলারেন্স নীতি' সর্বমহলে বেশ প্রশংসা অর্জন করেছে। ১৯ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এক অকুতোভয় নারী তিনি। তিনি যেখানে হাত দেন সেখানেই সোনা ফলেছে এবং তিনি তলাবিহীন ঝুড়িকে পূর্ণতা দান করেছেন। নিজ জীবনের মায়া ত্যাগ করে বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটাতেই তিনি সবসময় স্বপ্ন দেখেন। যার হাসিতে ফুটে উঠে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি।

লেখক: শিক্ষার্থী (কৃষি অনুষদ),পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মানবকণ্ঠ/এএম




Loading...
ads





Loading...