manobkantha

গান শুনিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মশার ওষুধ ছিটানোর সঙ্গে এবার সচেতনতামূলক গান (জিঙ্গেল) বাজিয়ে শুরু করেছে মশকনিধন কার্যক্রম। দুজন মশককর্মী ওষুধ ছিটিয়ে যাবে। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে আরেকজন হ্যান্ডমাইকে জিঙ্গেলটি প্রচার করবে। এভাবেই বর্তমানে চলছে ডিএসসিসির মশকনিধন কার্যক্রম।

বাংলাদেশ বেতারের সার্বিক সহযোগিতায় জিঙ্গেলটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন চম্পা বনিক ও অশোক পাল। জিঙ্গেলটির গীতিকার শফিকুল ইসলাম বাহার ও সুর করেছেন আশোক পাল।

৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের এই জিঙ্গেলে বলা হয়েছে, ‘ঘরে কিংবা আশেপাশে জমলে স্বচ্ছ পানি, তিন দিন পরে সেই পানিতে এডিস মশা জন্ম নেবে জানি/ডোরাকাটা এডিস মশা কামড়ায় দিনের বেলা, ঘুমালে তাই মশারি টানাবো, চলবে না যে হেলা/সচেতন থাকলে পরে নেই কোনো ভয়ডর, উদাসীন হই না যেন থাকি তৎপর।’

নগরবাসী যাতে সচেতন হন এবং এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে করণীয় সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য দিয়ে জিঙ্গেলটি তৈরি করা হয়েছে। জিঙ্গেলে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যেন ডিএসসিসিকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করেন। নগরবাসীর সহযোগিতায় এডিস মশা ও কিউলেপ মশা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

ডিএসসিসির মুখপাত্র আবু নাছের বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি, লার্ভিসাইডিং কার্যক্রমটা যেহেতু নির্বিঘ্নে করা হয়, তাই জনগণও যেন বুঝতে পারে, সেখানে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি জানান, দুইভাবে মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একটি হলো লার্ভিসাইডিং, যেটা মশার লার্ভা ধ্বংস করে। আরেকটি এডাল্টিসাইডিং, যেটা ওষুধ ছিটিয়ে উড়ন্ত মশা নিধন করা হয়। এর মধ্যে লার্ভিসাইডিংই বেশি কার্যকর, যেটা খুব নিঃশব্দে সম্পাদন হয়। মানুষ যাতে সচেতন হন এবং নগরবাসী যাতে বুঝতে পারেন যে মশকনিধনে ডিএসসিসি কাজ করছে, সে জন্যই মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে এই জিঙ্গেল তৈরি করে এবার মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করেছে ডিএসসিসি। এ উদ্যোগ বেশ ফলপ্রসূ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মানবকণ্ঠ/এআই