manobkantha

বিশ্বজুড়ে কমল সংক্রমণ-মৃত্যু

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে করোনায় নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৩৯ জনে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে বিশ্বে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৩৯ জনের। সোমবার সকাল পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৯ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষের। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৩৪৮ জনের। এ নিয়ে বিশ্বে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৪২ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষের।

করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১৭ কোটি ৯৬ লাখের বেশি মানুষ। এখন করোনা রোগী রয়েছেন দেড় কোটির বেশি। এদের মধ্যে ৯০ হাজারের বেশি রোগীর অবস্থা গুরুতর।

করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি মানুষের। এছাড়া মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২৯ হাজার ৩৮০ জনের।

করোনায় হতাহতের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৯৫ হাজারের বেশি মানুষের। এই মারণ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২৪ হাজার ৮০৮ জনের।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে এক কোটি ৯৯ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি মানুষের। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮৬ জনের।

তালিকায় ২৬ নম্বরে থাকা বাংলাদেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৮ জনের এবং মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৯১৬ জনের। এখন করোনা রোগী রয়েছেন দেড় লাখের বেশি। এদের মধ্যে ১৩৭৯ জনের অবস্থা গুরুতর।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জোরকদমে চলছে করোনার টিকাদান। এরই মধ্যে বেশিরভাগ দেশ তাদের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার বেশিরভাগকে টিকা দিয়ে ফেলেছে। টিকা দেয়ার হার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিথিল করা হয়েছে করোনা বিধিনিষেধ। এছাড়া যেসব দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি রয়েছে সেসব দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, টিকা দেয়ার হার বৃদ্ধি পেলে কমে আসবে করোনার গতি। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।