manobkantha

৮ দিনে ৪ সহস্রাধিক গ্রেফতার, তবুও বাইরে মানুষ

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের ঘোষিত ১৪ দিনের লকডাউনের প্রথম ৮ দিনে মোট ৪ হাজার ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবুও মানুষের বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা ঠেকানো যাচ্ছে না।

কঠোর লকডাউন শুরুর দিন থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিজিবি ও পুলিশ চেকপোস্ট বাসিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হচ্ছে মানুষকে। যারা অপ্রয়োজনে বের হচ্ছে তাদেরকে গ্রেফতার ও জরিমানা করা হচ্ছে। তবুও বিধিনিষেধ মেনে চলতে উদাসী নগরীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ।

মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ সব ধরনের দোকানপাট, গণপরিবহন এবং শিল্পকারখানা বন্ধ রেখে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টায় শুরু হওয়া ১৪ দিনের এ কঠোর বিধিনিষেধ চলবে আগামী ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত। কিন্তু দিন যতো সামনের দিকে যাচ্ছে মানুষ হয়ে উঠছে বেপরোয়া। করোনা ভীতি উপেক্ষা করেই বাইরে বের হচ্ছে সবাই। রাস্তায় প্রতিদিনই বাড়ছে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, লরি, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও মোটরসাইকেল। সড়কে গাড়ির চাপ বেশি থাকায় কোথাও কোথাও যানজটও দেখা গেছে।

কেবল গণপরিবহন ছাড়া সব যানবাহন চলছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ। যারা অফিস ও পেটের দায়ে বের হয়েছেন তাদের একমাত্র বাহন হলো রিকশা। যাতে গুণতে হয়েছে বাড়তি ভাড়া।

রাজধানীর বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জাকির হোসেন অভিযোগ জানিয়ে বলেন, দেশের ৯০ ভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস খোলা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে বাধ্য হয়েই অফিসে যেতে হচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের কোনো নির্দেশনা মানছে না। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আমাদের যাতায়ত করতে হচ্ছে কিছু পথ হেঁটে কিছু পথ রিক্সায়্।যাতায়াতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এতে সংসারের খরচ মেটাতে আমাদের চাকরিজীবিদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীর কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ। বিধিনিষেধে বন্ধ বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ। তাই বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপসহ ছোট ছোট যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া গুণে কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে তাদের।

মানবকণ্ঠ/এনএস