manobkantha

যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হচ্ছে চীনের আরও ১৪ কোম্পানি

যুক্তরাষ্ট্রে কালো তালিকাভুক্ত হচ্ছে চীনের আরও অন্তত ১৪টি কোম্পানি। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ জুলাই) এই তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স, আল জাজিরাসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম।

খবরে বলা হয়েছে, মূলত জিনজিয়াঙে উইঘুর মুসলমানদের উপর চীন সরকারের নির্যাতন এবং উচ্চ-প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি চালানোর অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।

মানবাধিকার লঙ্ঘনে চীনকে দোষী প্রমাণ করার চেষ্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের এই তালিকা বাড়ানো হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে। সূত্র বলছে, এই তালিকায় ১৪টি কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

কিন্তু কোন কোন কোম্পানিকে এই তালিকায় রাখা হবে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। তবে, চীনের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের কয়েকটি কোম্পানিকে অর্থনৈতিক কালো তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

জিনজিয়াঙে উইঘুর মুসলমানদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ চীন বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, বিচ্ছিন্নতাবদী ও ধর্মীয় উগ্রবাদীদের রুখতে তাদের সরকার যে নীতি গ্রহণ করেছে তা প্রয়োজনীয়।

সাধারণত কালো তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ থেকে অনুমতিপত্র নিতে হয়। মার্কিন সরবরাহকারীদের কাছ থেকে যখন তারা কিছু নিতে চায় তখন তাদের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।

এর আগে ২০১৯ সালে ট্রাম্প প্রশাসন একই অভিযোগে চীনের প্রথম সারির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থনৈতিক কালো তালিকাভুক্ত করেছিল।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিনজিয়াঙে ১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে ক্যাম্প পদ্ধতির আওতায় আটক করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশ মুসলিম।

মানবকণ্ঠ/এনএস