manobkantha

ঢাবির সিনেটে আবাসিক ও পরিবহন ফি বাতিলের দাবি সাদ্দামের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসন ও পরিবহন ফি বাতিলের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য সাদ্দাম হোসেন।

বৃহস্পতিবার ( ২৪ জুন) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের বার্ষিক অধিবেশনে ছাত্র প্রতিনিধির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান।

এ সময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই মুহূর্তে সংকটের মুখোমুখি রয়েছে। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারেনি। ঢাকায় এসে যখন সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তখন আমাদের অনেক শিক্ষার্থী যে ফরম ফিলাপ করবে সে সুযোগ তাদের নেই।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছে তখন তাদের আবাসিক ফি গ্রহণ করা হচ্ছে পাঁচশ থেকে দুই হাজার টাকা। আমরা জেনেছি টিপের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরিবহন ফি নেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের থেকে ১২৮০ টাকা করে পরিবহন ফি নেওয়া হয়েছে। আমাদের অনেক শিক্ষার্থী পারিবারিকভাবে আর্থিক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের এ দিকটি বিবেচনায় নিয়ে তাদের আবাসিক এবং পরিবহন ফি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার দাবি জানাচ্ছি।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষে রয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ধারাবাহিক নির্বাচন যেন বজায় থাকে এ ব্যাপারে মাননীয় উপাচার্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে টিকার আওতায় আনার ব্যাপারে যে ধরনের নির্দেশনা দিয়েছেন সেই নির্দেশনার ইতোমধ্যে অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছে।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচ লক্ষ টিকা বরাদ্দ রয়েছে। মেডিকেলে ডেন্টালের শিক্ষার্থীরা টিকা গ্রহণের আওতায় আসলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখনো টিকার আওতায় আসেনি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রত্যাশা করবো এ বিষয়ে আপনারা যোগোপযোগী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের যে চ্যালেঞ্জ, বিপর্যয় রয়েছে, আমরা যেন দ্রুত তা কাটিয়ে উঠতে পারি। শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষাঙ্গনে দ্রুত ফিরে আসতে পারে।

মানবকণ্ঠ/এমএ