manobkantha

রাজধানীতে গণপরিবহনের তীব্র সংকট, দুর্ভোগে নগরবাসী

রাজধানীতে গতকালের মতো আজও গণপরিবহন সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। সকাল থেকে সড়কে বাসের সংখ্যা কম থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই গাড়ি পাননি। এতে বিপাকে পড়েন অফিসগামীরা। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে যারা বেরিয়েছেন, তাদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ায় সাত জেলা লকডাউনের কারণে আশপাশের এলাকা থেকে রাজধানীতে গণপরিবহণের প্রবেশ বন্ধ থাকায় সড়কে গণপরিবহণের সংখ্যা কম। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া থেকে যারা নিয়মিত বাসে করে ঢাকায় যাতায়াত করেন, তাদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বাস চলাচল না করায় বিকল্প যানে করে গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। সেখানে এসেও বাস না পেয়ে অনেককে হতাশা প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

বুধবার (২৩ জুন) সকালে রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা ও উত্তরায় এই চিত্র দেখা গেছে। বাসের অপেক্ষায় যাত্রীদের দীর্ঘলাইন দেখা গেছে। অনেকক্ষণ পর পর যাও একটা বাস আসছে, তাদের উঠতে রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে অফিসগামীদের। যারা বাসে উঠার সুযোগ পেয়েছেন, তারা অনেকে সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। কোনো কোনো বাসে সিটের দ্বিগুণেরও বেশি যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে।

আবার অনেকে দীর্ঘ সময় বাস না পেয়ে হেঁটেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হতে দেখা গেছে।

বনানী, মালিবাগ ও নিউমার্কেট এলাকায় বাস সংকটের একই টিত্র দেখা গেছে। এসব সড়কে সকাল থেকেই গণপরিবহণের তুলনায় ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বেশি।

লকডাউনের কারণে আন্তঃজেলার বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কেবল রাজধানীতে চলাচল করা বাসগুলোর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে যাত্রীদের। এরমধ্যে প্রতি দুই সিটে বসছেন একজন করে। এমন অবস্থায় বেশি বিপাকে পড়েন চাকরিজীবী নারী ও অসুস্থরা।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ঢাকার পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুরসহ মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে লকডাউন ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ফলে এসব এলাকার কোনো গণপরিবহন ঢাকায় প্রবেশ করতে পারছে না।

মানবকণ্ঠ/এমএ