manobkantha

গুরুদাসপুরে আ. লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

গুরুদাসপুরে আ. লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

নাটোরের গুরুদাসপুরে আওয়ামী লীগের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষই শুক্রবারে থানায় মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মহারাজপুর গ্রামে সোহেল রানা গ্রুপ ও মিন্টু গ্রুপের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে দুই পক্ষই মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার মৃত মোজাহার আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা সোহেল রানা এবং আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা মোক্তাদিরুল ইসলাম মিন্টু বিশ্বাসের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় একটি আওয়ামী লীগের অফিসে বসা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও বাড়ি ঘর ভাঙচুর হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এ ঘটনায় সোহেল রানা বাদী হয়ে মিন্টু গ্রুপের ২২ জনের নামে থানায় এজাহার দিয়েছে। অপরপক্ষে মিন্টু বিশ্বাসের বাবা আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বাদী হয়ে সোহেলা রানা গ্রুপের ১৮ জনের নামে থানায় এজাহার দিয়েছে।

সোহেল রানা বলেন, মিন্টু বিশ্বাসের ভাই সেন্টু বিশ্বাসের নেতৃত্বে ইয়াকুব বিশ্বাস, কবির মেম্বার, জিয়াউল মুন্সি তাদের দলবল নিয়ে প্রথমে আমার এবং পরে আমার ভগ্নিপতি মিজানুর বাড়ি ভাঙচুর করে আমার নগদ ৬ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় আমার আত্মীয় রেজাউল ও সাইদুলের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে তারা।

এ বিষয়ে মুক্তাদিরুল ইসলাম মিন্টু বিশ্বাস বলেন, সোহেল রানা দলে অনুপ্রবেশকারী। সে ছাত্রশিবির থেকে দলে প্রবেশ করে জামাত-বিএনপির লোকজন নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতাকর্মীদের সাথে হানাহানির চেষ্টা করছে। দলের ক্ষতি করার জন্য যোগসাজশ করে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। ওই সময়ে ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমাদের লোকজনকে শান্ত করেছি। বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা তারাই ঘটিয়ে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমাদের লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। সোহেল রানা ২০০৯ সালে ছাত্রশিবিরের নাটোর দস্তানাবাদ ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রসা শাখার সভাপতি ছিলেন, এ বিষয়ে তার কাছে উপযুক্ত প্রমাণও আছে বলে তিনি দাবি করেন।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মোজাহারুল ইসলাম জানান, দুইপক্ষের মামলা রুজু করে দুই পক্ষের ১০জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরবি