সরকারের চেষ্টায় বাজার নিয়ন্ত্রণে: বাণিজ্যমন্ত্রী


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৩ জুন ২০২২, ২০:১৪

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের মতো দেশের নিত্যপণ্যের বাজারেও অস্থিরতা দেখা দেয়। তবে সরকারের নানামুখী প্রচেষ্টায় বাজার এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।  

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এই দাবি করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের মমতা হেনা লাভলী।

লিখিত জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধের প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বাজারেও প্রভাব পড়েছে। এ যুদ্ধের কারণে আমদানিনির্ভর পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, সরকার নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে রাখার জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছে। ইতোমধ্যে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বৈঠক করেছে। এছাড়া নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য এবং সেই অনুযায়ী প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ‘দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা এবং পূর্বাভাস সেল’ গঠন করা হয়েছে। এছাড়া টিসিবি ঢাকাসহ সারা দেশে তিন হাজার ডিলারের মাধ্যমে ট্রাক সেলের মাধ্যমে খোলা বাজারের নিত্যপণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে বাজার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আওয়ামী লীগের মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ প্রধানত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ড ও বেলজিয়ামসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ জাপান, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পণ্য রফতানি করে থাকে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বিশ্বের ২০৩টি দেশে ৭৫১টি পণ্য রফতানি করে ৩৮ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।

বিএনপি দলীয় সদস্য গোলাম মোহম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে টিপু মুনশি জানান, বাংলাদেশের ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট রফতানির পরিমাণ ছিল ৪৫ হাজার ৩৬৭ দশমিক ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর আমদানির পরিমাণ ছিল ৬১ হাজার ৬০৯ দশমিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ১৬ হাজার ২৪২ দশমিক ০১ মিলিয়ান মার্কিন ডলার।

মন্ত্রী জানান, নিটওয়্যার, ওভেন পোশাক, হিমায়িত মাছ, হিমায়িত চিংড়ি, হাঙ্গরের পাখনা, শুটকি মাছ, লবণযুক্ত মাছ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সবজি আম, পান, আলু, অন্যান্য ফল-মূল ও শাক-সবজি ইত্যাদি রফতানি করা হচ্ছে।

মানবকণ্ঠ/ এআই


poisha bazar