দৃষ্টিনন্দন ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ জুন ২০২১, ১১:০০,  আপডেট: ১০ জুন ২০২১, ১১:২৪

সারাদেশের ৩০ উপজেলায় একযোগে ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একযোগে বিশ্বমানের এতগুলো অবকাঠামো স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বের ইতিহাসে নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) এ মসজিদগুলো উদ্বোধন করেন তিনি। নিজস্ব পরিকল্পনায় বড় বাজেটে এতগুলো অবকাঠামো নির্মাণ করলেন সরকার প্রধান।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে সারাদেশে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করা হবে। যার ব্যয় ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা।

প্রকল্প পরিচালক নজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সারাদেশে আমরা ৩০টি জেলার ৫০টি উপজেলা সদরে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। চলতি অর্থবছরে আরও ১০০টি মসজিদ নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মসজিদ নির্মাণ হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ক্যাটাগরিতে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে ৬৯টি, বি ক্যাটাগরিতে উপজেলা সদরে ৪৭৫টি ও সি ক্যাটাগরিতে উপকূলীয় এলাকায় ১৬টিসহ মোট ৫৬০ মডেল মসজিদ প্রকল্প চলমান।

দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলোতে যেসব সুবিধা থাকছে

মসজিদগুলোতে থাকছে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের টয়লেটসহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্নার, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, ইসলামিক গবেষণা ও দীনি দাওয়া কার্যক্রম, হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষার ব্যবস্থা, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আবাসন ও অতিথিশালা, মরদেহ গোসল ও কফিন বহনের ব্যবস্থা, হজ্জ যাত্রীদের নিবন্ধনসহ প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ ও গাড়ি পার্কিং, ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা

সাভার মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ইমাম হাফেজ মাওলানা মারুফ বিল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, সাভার মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সাভারবাসীর জন্য আশীর্বাদ। এখান থেকে পুরো উপজেলায় ইসলামের মূল মেসেজ প্রচার করা যাবে। বিভিন্ন যায়গায় মসজিদ মাদরাসা আছে, কেন্দ্র হিসেবে একটা থাকার দরকার ছিল। এখন এটি সে হিসেবে ব্যবহার হবে। উপজেলায় সেন্ট্রাল হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

দৃষ্টিনন্দন মসজিদগুলো মানুষকে ধর্মীয় কাজে আগ্রহ বাড়াবে জানিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সাভার উপজেলার তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা আবু সাইদ বলেন, সবচে বড় কথা হচ্ছে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদের মাধ্যমে মানুষ নামাজে আকৃষ্ট হবে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিবাহ রোধে ভালো ভূমিকা রাখা যাবে। এখানে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও নামাজ পড়তে পারবেন। যেটা আমাদের বাংলাদেশে আগে ছিল না। এর মধ্য দিয়ে নারীদের অধিকার নিশ্চিত হবে।

মুসল্লিরা বলছেন, বড় খরচে অনেক বড় স্থাপনা হয়েছে দেশে। এটির যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে প্রকৃত সুফল পাওয়া যাবে।এতে প্রকৃত ইসলাম চর্চা নিশ্চিত করলে ধর্মান্ধতা ঘুচবে।

মানবকণ্ঠ/এমএ


poisha bazar

ads
ads