সর্বাত্মক লকডাউন: সোয়া কোটি দরিদ্র পরিবার পাবে খাদ্য সহায়তা


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৩০

করোনাভাইরাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা হয়েছে। এ সময়ে দেশের সোয়া কোটি দরিদ্র পরিবারকে ১০ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, লবণ, সয়াবিন তেল ও চার কেজি আলু সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এক সপ্তাহের লকডাউনে রফতানিমুখী কলকারখানা ও জরুরি সেবা কার্যক্রম ছাড়া সবই বন্ধ থাকবে। এতে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের নাগরিকদের সহযোগিতা করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এছাড়া ওএমএসের মাধ্যমে কম দামে চাল ও আটা বিক্রি বাড়ানো হয়েছে। রমজানকে সামনে রেখে সরকারের বাণিজ্যিক সংস্থা টিসিবির বিক্রি বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে নিম্ন আয়ের মানুষের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে মাছ, ডিম ও মুরগির মাংস বিক্রি করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। এ অধিদফতর প্রয়োজনে গরু ও খাসির মাংসও বিক্রির পরিকল্পনা নিয়েছে।

দরিদ্রদের খাদ্য সহায়তার ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আসন্ন রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দরিদ্রদের সহায়তায় ভিজিএফ কর্মসূচিতে ৪৫১ কোটি টাকা ও জিআর কর্মসূচিতে ১২১ কোটি টাকা ছাড় (অনুমতি) করা হয়। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ায় লকডাউন ঘোষণার ফলে দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের অনেকে সমস্যায় পড়বেন। এজন্য ভিজিএফ ও জিআরের অর্থ বিতরণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভিজিএফের অর্থ পরে ছাড় করা হবে।

তিনি আরো জানান, ২০২০ সালের সাধারণ ছুটির সময় সারাদেশে এক কোটি ২৫ লাখ দরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয় সরকার। এসব পরিবারের তালিকা সরকারের কাছে রয়েছে। এবারও প্রাথমিকভাবে তাদের সহায়তা করা হবে। এছাড়া দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল যেকোনো ব্যক্তি বা পরিবার সমস্যায় থাকলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের সহায়তা করা হবে। লকডাউন বাড়লে প্রথমবার সহায়তা দেয়ার ১৫ দিন পর পুনরায় খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন স্থানীয় বাজার থেকে এসব খাদ্যসামগ্রী কিনে দরিদ্রদের কাছে পৌঁছে দেবে।

মানবকণ্ঠ/এনএস






ads
ads