অর্ধেক যাত্রীও নেই বাসে


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৮ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০০

জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে রাজধানীসহ দেশের সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গণপরিবহন চালুর অনুমতি দিয়েছে সরকার। বুধবার থেকে গণপরিবহন চলাচল শুরু হলেও যাত্রী সংকটে ভুগছে পরিবহনগুলো। বাসে নির্ধারিত আসনের অর্ধেক যাত্রী দিয়ে চলাচল করার কথা থাকলেও সেই অর্ধেক যাত্রীও পাওয়া যাচ্ছে না রাস্তায়।

তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে গণপরিবহন চলার অনুমতি দিলেও সেই স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না গণপরিবহনগুলোতে। অধিকাংশ বাসেই নেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ফলে প্রত্যেক যাত্রীই হাতল ও আসন ধরে উঠাবসা করার কারণে সহজেই ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

যাত্রীদের অভিযোগ, বাসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়া হচ্ছে না। ফলে একই হাতল এবং আসন ধরে প্রত্যেক যাত্রীকে ওঠানামা করতে হচ্ছে। এভাবে একজনের হাতের জীবাণু খুব সহজেই অন্যের হাতে চলে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চালক এবং চালকের সহকারীরা জানান, গত বছর করোনার সময় যাত্রীদের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়েছিল বাসের মালিকরা। কিন্তু এবার যাত্রীদের সুরক্ষায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয়নি। এ নিয়ে যাত্রীদের অনেকেই আপত্তি তুলেছেন। বিষয়টি বাস মালিককে জানাব।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেট, কাওরানবাজার, শাহবাগ, পল্টনসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত গণপরিবহন থাকলেও যাত্রীর তেমন চাপ নেই। অফিস টাইমে যাত্রীদের বাসের জন্য ছোটাছুটির দৃশ্য নিত্যদিনের বিষয় থাকলেও বৃহস্পতিবার ছিল তার উল্টো চিত্র।

সকাল থেকে ফার্মগেট বাসট্যান্ডে ঘণ্টাখানেক অবস্থানের পর দেখা যায়, বিভিন্ন রুটের বাসগুলো একে একে ছেড়ে যাচ্ছে। বাসের প্রতি দুই সিটে একজন করে যাত্রী থাকলেও বেশ কিছু সিট ফাঁকা আছে। কয়েকটি বাসের কাউন্টারে প্রতিদিন অফিস টাইমে যাত্রীদের লাইন থাকলেও আজ বাসগুলো দাঁড়িয়ে ছিল যাত্রীর অপেক্ষায়। বিভিন্ন সময়ে হঠাৎ কিছু যাত্রী একসঙ্গে এলেও লাইনের দৈর্ঘ্য খুব একটা বেশি বড় নয়। তাতে এক বাসের যাত্রী হয়ে যায়। আবার কেউ কেউ সময় রক্ষার কারণে যাত্রীর অপেক্ষা না করে খালি সিট রেখেই বাস ছেড়ে দিচ্ছেন রাস্তা থেকে যাত্রী পাওয়ার আশায়।

তবে অধিকাংশ বাসেই যাত্রী উঠার সময় তাদের হাত জীবাণুুনাশক স্প্রে করার কথা থাকলেও তা করতে দেখা যায়নি। এ সময় পাভেল মিয়া নামের এক বাসযাত্রী বলেন, সাধারণত বাসগুলো চলন্ত অবস্থায় যাত্রী ওঠানামা করে। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকা সত্তে¡ও যাত্রীরা হাতল বা আসন ধরে ধরে ওঠানামা করতে বাধ্য হয়। কিন্তু চালক ও চালকের সহকারীরা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেয় না। অথচ আগের তুলনায় ৬০ শতাংশ ভাড়া বেশি রাখছেন তারা।






ads
ads