পাপুলের আসনে উপ-নির্বাচন ১১ এপ্রিল

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৩ মার্চ ২০২১, ১৮:২৬

মানব ও অর্থ পাচারের দায়ে কুয়েতের আদালতের রায়ে দণ্ডিত হয়ে সংসদ সদস্য পদ হারানো শহীদ ইসলাম পাপুলের লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ এপ্রিল। এ নির্বাচনের মনোয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৮ মার্চ। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ১৯ মার্চ। প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৪ মার্চ।

বুধবার নির্বাচন কমিশন ভবনে কমিশন বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান ইসি সচিব হুমায়ুন কবির খোন্দকার। এদিন ১১টি পৌরসভা ও ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় পাপুলের সংসদ সদস্য পদ বাতিল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে গত ২৮ জানুয়ারি থেকে তার পদ শূন্য দেখানো হয়েছে।

সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘কুয়েতে ফৌজদারি অপরাধে চার বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্য নয়। সেই কারণে সংবিধানের ৬৭ (১) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রায় ঘোষণার তারিখ ২৮ জানুয়ারি হতে তার আসন শূন্য হয়েছে।’
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সংসদ সদস্যের বিদেশে আটক ও ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার পর পদ হারানোর ঘটনা এটিই প্রথম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে বিষয়টি নিয়ে স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী তার কার্যালয়ে সংসদ সচিবালয়ে সংশ্লিস্টদ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় কুয়েত থেকে পাঠানো কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের মামলার রায়ের কপি পর্যালোচনা করা হয়। আরবি ও ইংরেজিতে লেখা ৬১ পৃষ্ঠার রায়ের কপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের স্পিকারের দপ্তরে ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। মাঝখানে তিন দিনের সরকারি ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসেই স্পিকার এ বিষয়টি নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এখানেই বহুলালোচিত এবং বিতর্কিত কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের সদস্য পদ বাতিলের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য, অর্থ ও মানব পাচারের মামলায় গত ২৮ জানুয়ারি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় কুয়েতের আদালত। পাশাপাশি তাকে ১৯ লাখ কুয়েতি রিয়াল বা ৫৩ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়। গত বছরের ৬ জুন রাতে কুয়েতের বাসা থেকে আটক করা হয় তাকে। আটকের সাড়ে সাত মাস আর বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর সাড়ে তিন মাসের মাথায় দণ্ডিত হন কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads
ads