ছাত্র সংগঠনের মিছিলে পুলিশের বাধা, লাঠিচার্জ-টিয়ারশেল নিক্ষেপ

- ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:০১

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে বন্দিদশায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর মশাল মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এতে করে দুই পক্ষের ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বর থেকে মশাল মিছিল বের করেন। মিছিলটি শামসুন্নাহার হল ঘুরে শাহবাগের জাদুঘরের সামনে পৌঁছারে পুলিশ বাধা দেয়।

এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে পিছু হটেন ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা।

পরে তারা ঢাবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে অবস্থান নেন। সেখানে আবার পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়েন নেতাকর্মীরা। প্রথমে পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। পরে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মী এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ঢাবির নেতা আরাফাত সাদসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি তাসিন মল্লিক গণমাধ্যমকে জানান, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ১০-১২ জনের বেশি নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন- ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার সভাপতি সাখাওয়াত ফাহাদ, ছাত্র ইউনিয়নের ইংলিশ মিডিয়ামের ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক শ্রাবণ চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আশ্রাফি নিতু, ছাত্র ইউনিয়নের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সদস্য অন্তু অরিন্দম, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক নাজিফা জান্নাত।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দি লেখক মুশতাক আহমেদ কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে কারাগারের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

মানবকণ্ঠ/এসকে






ads
ads