পিপলস লিজিংয়ের চেয়ারম্যান ও এমডি গ্রেফতার


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১৭:০১,  আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১৭:১৭

অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় প্রশান্ত কুমার ওরফে পি কে হালদারের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার তাদেরকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে দুদক সূত্র।

তারা হলেন— পিপলস লিজিংয়ের বর্তমান চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সাবেক এমডি রাশেদুল হক।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নানা কৌশলে নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনেন এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু ও সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন। এরমধ্যে অন্যতম পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস।

দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, এ সংক্রান্ত বিষয়ে পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংসহ প্রশান্ত কুমার হালদার সংশ্লিষ্ট লিজিং কোম্পানি থেকে নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। পরে ১১ জানুয়ারি পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ও সাবেক পরিচালক আরেফিন সামসুল আলামিনকে তলব করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এর আগে একই অভিযোগে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের পরিচালক ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নিজামুল আহসান, পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ও পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ ইসমাইলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

দুদকে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি থাকা অবস্থায় তার আত্মীয় স্বজনকে আরও বেশ কয়েকটি লিজিং কোম্পানির ইনডিপেন্ডেন্ট পরিচালক বানান এবং একক কর্তৃত্বে পিপলস লিজিংসহ বেশ কয়েকটি লিজিং কোম্পানির টাকা বিভিন্ন কৌশলে বের করে আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পিপলস লিজিংয়ে আমানতকারীদের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন কৌশলে আত্মসাৎ করেন এবং এই কোম্পানিকে পথে বসিয়েছেন পি কে হালদার। তিনি এসব কোম্পানির স্থাবর সম্পদ বিক্রি করে দেন এবং আমানতকারীদের শেয়ার পোর্টফোলিও থেকে শেয়ার বিক্রি করে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা সরানো হয়। এছাড়া এফএএস ফাইন্যান্স, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স এবং পিপলস লিজিং থেকে একই কায়দায় আরও প্রায় ৭৫০০ কোটি টাকা ঋণের নামে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে পিকে হালদার ও তার সিন্ডিকেট।






ads
ads