বিনামূল্যে বাড়ি পেলো ৬৬ হাজার ১৮৯ পরিবার


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৩০,  আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৩৩

দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৬৬ হাজার ১৮৯টি গৃহহীন পরিবারের মাঝে পাকা ঘরসহ বাড়ি হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিববর্ষে বিশাল সংখ্যক মানুষকে বিনামূল্যে ঘর দিয়ে বিশ্বে নতুন ইতিহাস গড়লেন তিনি।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছেন সরকারপ্রধান বাড়িগুলো হস্তান্তর করেন।

এ সময় ভার্চুয়ালে সংযুক্ত ছিল- খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি, দেশের সব উপজেলাই অনলাইনে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় প্রায় ৯ লাখ মানুষকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে। আজকের ৬৬ হাজারের পাশাপাশি আগামী মাসে আরও ১ লাখ পরিবার বাড়ি পাবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে থাকা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এই কাজ করছে। খাসজমিতে গুচ্ছ ভিত্তিতে এসব ঘর তৈরি হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগসহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় এই কাজের সঙ্গে যুক্ত।

উপকারভোগীদের মধ্যে যাদের জমি আছে, তারা শুধু ঘর পাবে। যাদের জমি নেই, তারা ২ শতাংশ জমি পাবে (বন্দোবস্ত)। দুই কক্ষবিশিষ্ট প্রতিটি ঘর তৈরিতে খরচ হচ্ছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে এসব ঘর। রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট থাকছে। টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হচ্ছে।

নীলফামারী জেলায় ৬৩৭টি পরিবার ঘর পেয়েছে। এর মধ্যে আছে সদর উপজেলায় ৯৯, সৈয়দপুরে ৩৪, ডোমারে ৩৮, ডিমলায় ১৮৫, জলঢাকায় ১৪১ ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১৪০টি পরিবার। বসতভিটার জন্য উপকারভোগীদের মধ্যে ১২.৭৪ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নে খাসজমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৪টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। যশোরের মণিরামপুরে ২৬২টি পরিবার ঘর পাচ্ছে। এর মধ্যে আজ ১৯৯টি ঘর হস্তান্তর করা হবে।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ৩৫টি পরিবার প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাচ্ছে। এর মধ্যে সোনামুখী ইউনিয়নের তিনটি, চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯, মাইজবাড়ী ইউনিয়নের ১৪, গান্ধাইল ইউনিয়নের পাঁচ ও কাজিপুর সদর ইউনিয়নের চারটি পরিবার রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় আজ ২০টি পরিবারকে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে ২০০টি ভূমিহীন পরিবারকে ‘মুজিববর্ষের উপহার’ এই ঘর দেওয়া হবে।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ছয় ইউনিয়নে ৪৩০টি পরিবার ঘর পাচ্ছে। বয়স্কদের ৪৪টি, দিনমজুর ২৩৫টি, মুক্তিযোদ্ধা তিন, বিধবা ৩০, প্রতিবন্ধী ১২, ভিক্ষুক ২৭, ক্ষুদ্রজাতির ৭৮ ও তৃতীয় লিঙ্গের একটি পরিবারকে ঘর দেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ২১টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩৫টি পরিবারকে ঘর দেওয়া হচ্ছে।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ২০০ পরিবার ঘর পাচ্ছে। এর মধ্যে সদর ইউনিয়নে ৩১টি, জয়মনিরহাটে ৯, আন্ধারিঝাড়ে তিন, পাইকেরছড়ায় ২১, বলদিয়ায় ২৩, চরভূরুঙ্গামারীতে ১৫, শিলখুড়িতে ২৬, পাথরডুবীতে চার, তিলাইয়ে ১৮ ও বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নে ৫০টি ঘর তৈরি করা হয়েছে।

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় ১০৪টি পরিবার ঘর পাচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৩০টি ঘর প্রস্তুত হয়েছে। আজ এগুলোর চাবি উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আরো ২০টি ঘরের কাজ চলছে।

মানবকণ্ঠ/এনএস

 






ads
ads