৯ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষসহ দুই পাচারকারী গ্রেফতার

সাপের বিষ

poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২৬ নভেম্বর ২০২০, ২০:৩৯,  আপডেট: ২৬ নভেম্বর ২০২০, ২০:৪১

দেশে সাপের বিষ কেনা-বেচার বৈধতা না থাকলেও রুট হিসেবে ব্যবহার করছে পাচারকারীরা। অবৈধ এই বিষ বাংলাদেশ হয়ে ইন্দোনেশিয়া মালয়েশিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে প্রায় নয় কোটি টাকা সমমূল্যের সাপের বিষসহ পাচারকারী চক্রের হোতা মো. মামুন তালুকদার (৫১) ও তার সহযোগী মো. মামুনকে (৩৩) গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার জানান, বুধবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত দুই পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দু’টি বড় লকার, ছয়টি কাঁচের কৌটায় সংরক্ষিত সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়েছে। যার প্রত্যেকটি বোতলের বিভিন্ন জাতের সাপের বিষের নাম লেখা রয়েছে।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে সাপের বিষ ক্রয় কিংবা বিক্রয়ের বৈধতা নেই। মূলত সাপের বিষ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল পাচারকারীরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাচারকারীদের কাছে থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়া মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সাপের বিষ লেনদেন হয়। এটার অবশ্যই বৈশ্বিক মার্কেট রয়েছে, তবে বাংলাদেশে এটা বিক্রির কোনও বৈধতা নেই। দেশের বাইরে থেকে এই সাপের বিষ কোনও না কোনওভাবে বাংলাদেশে এসেছে। দুই তিন হাত ঘুরে হয়তো এই চক্রের মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার হতো।

সিআইডি বলছে, এই সাপের বিষ ওষুধ তৈরি করার ক্ষেত্রে ব্যবহূত হয়। তবে বাংলাদেশে ফার্মাসিউটিক্যালে এটি ব্যবহার করার জন্য আইনের বৈধতা নেই। যে কারণে এটি বাংলাদেশের ব্যবহারের সুযোগ নেই। আমরা এখনও নিশ্চিত না যে এটা ঠিক কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে জব্দ করা বিশ্বের কনটেইনার গুলোতে ‘মেড ইন ফ্রান্স’ লেখা।

সিআইডি কর্মকর্তা শেখ রেজাউল হায়দার বলেন, আমরা এই চক্রের সাথে ৭/৮ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। যেহেতু সাপের বিষ লেনদেন ক্রয়-বিক্রয় এবং পাচার আইনত অপরাধ। সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হবে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads