মহানবী'র অবমাননা নিয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৭:৩২

 

কোন ধর্মের অনুসারিরাই তাদের ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের অবমাননা মেনে নিতে পারে না উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, তাই মুসলিম হিসেবে মহানবীর অবমাননা কিভাবে মেনে নেব?

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্ত্বরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

অন্য ধর্ম বিশ্বাসের উপর আঘাত না করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে দেশে দেশে শান্তিকামী মানুষের জাগরণ ঘটাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। নবীজির আদর্শকে লালন করে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসার ঘটানোই হবে প্রকৃত মুসলমানের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

মন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশ হচ্ছে উজ্জ্বল রোল মডেল। কোন ধর্মের অনুসারিরাই তাদের ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের অবমাননা মানতে পারে না। তিনি অন্য ধর্ম বিশ্বাসের উপর আঘাত না করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী বলেন, পৃথিবী থেকে অন্ধকার অনাচার ব্যভিচারসহ মানবতা বিরোধী অপরাধ দূর করতে আলোর মশাল নিয়ে শুভাগমন করেন বিশ্ব মানবতার মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা)। আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে নারী জাতির কোন মর্যাদা ও অধিকারই ছিলনা। মহানবী (সা) নারী জাতিকে মর্যাদা ও শ্রদ্ধার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনিই পৃথিবীতে সাম্য মৈত্রী সুবিচার এবং সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ গড়ে তোলেন। তাই মহানবী’র (সা) এই দুনিয়ায় শুভাগমন সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহ পাকের বিশেষ নেয়ামত ও অনুগ্রহ। এজন্যই নিয়ামতের শুকরিয়ার্থে আমরা জশনে জুলুস উদযাপন করি।

তিনি বলেন, প্রকৃত ধার্মিক ধর্মের নামে হঠকারি ও উগ্রতায় বিশ্বাস করে না। কোন ধর্মীয় নেতা বা ধর্ম জাযকের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও কটুক্তি ধর্মের প্রকৃত অনুসারীরা কখনোই করতে পারে না। মুসলমানরা যদি অন্য ধর্মের ধর্মীয় নেতার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ও ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে তাহলে ঐ ধর্মের লোকের নিকট ভালো লাগবে না। অন্য ধর্ম বিশ্বাসের উপর আঘাতের নাম বাক স্বাধীনতা হতে পারে না। ফ্রান্সসহ ইউরোপের কিছু দেশ মহানবী (সা) এর বিরুদ্ধে অবমাননাকর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে ধর্মীয় সম্প্রীতির পরিবর্তে সংঘাত উস্কে দিচ্ছে। আমি এই অমানবিক কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এজন্য মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের বিকল্প নেই।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন হযরত মাওলানা বাকী বিল্লাহ্ আল-আযহারী, হযরত মাওলানা রুহুল আমিন ভূঁইয়া চাঁদপুরী, আন্জুমান সাধারণ সম্পাদক খলিফা মো. আলমগীর খাঁন, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাবেক এসপি আবুল কালাম আজাদ, হযরত মাওলানা বাকের আনসারী, মাওলান ইসমাইল সিরাজী প্রমুখ।






ads