শীতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে স্তরভিত্তিক পরিকল্পনা

- সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩৫,  আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৪০

ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। শীতের প্রভাবে ইউরোপে পুনরায় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে বলে দাবি করেছেন এক ফরাসি বিজ্ঞানী। এমন প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর আসন্ন শীতে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে স্তরভিত্তিক পদ্ধতি বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এ তথ্য জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, শীতে দেশবাসীকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এর পরও কোনো কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে প্রথম দিকে গণপরিবহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। এরসঙ্গে বন্ধ থাকবে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়।

জানা গেছে, দোকানপাট, শপিং মল খোলা রাখার ব্যাপারে এলাকাভিত্তিক নতুন সূচি করা হতে পারে। তবে সব ধরনের কারখানা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান- যেমন ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার খোলা রাখা হবে। সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতও খোলাই থাকবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে।

সূত্র বলছে, সংক্রমণ বাড়লে অনলাইন পদ্ধতিতে ঘরে বসেই অফিস-আদালত চালানোর প্রতি জোর দেওয়া হবে। তবে মানুষের জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতি রক্ষার স্বার্থে পুনরায় লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বেশি খারাপ হলে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, মাস্ক না পারলে স্বাস্থ্যসেবা মিলবে না হাসপাতালগুলোতে। শুধু স্বাস্থ্যসেবা নয়, সরকারি কোনো অফিস-আদালতেও সেবা পেতে মাস্ক পরতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সম্প্রতিক সময়ে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য বিধি মানাতে প্রচার মাধ্যমের সহায়তা নেয়া হবে। এতে সহায়তা করবে তথ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে দেশে করোনাভাইরাসের সর্বশেষ তথ্য বলছে, শনিবার (২৪ অক্টোবর) পর্যন্ত আক্রান্তে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫০৭ জন। আরও মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৮০ জনে।

মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ৩লাখ ১৩ হাজার ৫৬৩ জন।

এদিকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১১ লাখ ৪৯ হাজার ২২৯ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ কোটি ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৩২ জন।

মানবকণ্ঠ/এনএস






ads