বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় বাংলাদেশের তৈরি ভ্যাকসিন


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১৭:৪৪,  আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১৮:০২

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টিকা উদ্ভাবনে সাফল্যের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশি মেডিকেল গবেষণা প্রতিষ্ঠান-গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি করোনা ভ্যাকসিন ‘ব্যানকোভিড’ তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) গ্লোব বায়োটেকের ওয়েবসাইটে তথ্য জানানো হয়।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের কোয়ালিটি অ্যান্ড রেগুলেটরি অপারেশন্সের ম্যানেজার ও ইনচার্জ এবং টিকা আবিষ্কার গবেষক দলের সদস্য মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দেশীয় প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেকের তৈরি ভ্যাকসিন করোনা ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম বলে জানিয়েছিল মার্কিন মেডিকেল জার্নাল বায়োআর্কাইভ। ৩০ সেপ্টেম্বর বায়োআর্কাইভ মেডিকেল জার্নালে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চলতি মাসের গত ৫ অক্টোবর রাজধানীর গুলশান-২-এ অবস্থিত হোটেল লেকশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের উদ্ভাবিত করোনার টিক ‘ব্যানকোভিড’ প্রাণীদেহে নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি। সেসময় তারা বলে, এই টিকা অ্যানিমেল (প্রাণী) মডেলে নিয়ন্ত্রিত ও পূর্ণাঙ্গ প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিইও ড. কাকন নাগ বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ‘ব্যানকোভিড’ টিকাটি ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে প্রথম ও একমাত্র আবিষ্কৃত টিকা। ইতোমধ্যে অ্যানিমেল মডেল ইঁদুরে নিয়ন্ত্রিত ও পূর্ণাঙ্গ প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ব্যানকোভিড সম্পর্ণ নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। যার বিস্তারিত ফলাফল বায়ো-আর্কাইভে (biorxiv) প্রি-প্রিন্ট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে কন্ট্রাক্ট রিসার্স অর্গানাইজেশনের (সিআরও) সঙ্গে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল তৈরির কাজ করছি। আশা করছি, তারা খুব শিগগিরই বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদে (বিএমআরসি) ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের নৈতিক ছাড়পত্রের জন্য এই প্রটোকলসহ আবেদন করবেন। বিএমআসির নৈতিক অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ে তারা ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কাছেও প্রটোকলস ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ড. কাকন আরও বলেন, আমাদের উদ্ভাবিত BANCOVID নামের BAN একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামকে প্রতিনিধিত্ব করে, যা COVID-19 কে ব্যান বা প্রতিহত করতে সক্ষম হবে। আমরা দ্রুততম সময়ে টিকাটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে বাংলাদেশ ও বিশ্ববাসীর সেবায় ব্যানকোভিডকে উৎসর্গ করতে চাই।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads







Loading...