৩৩৯ কোটি টাকার চারটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

৩৩৯ কোটি টাকার চারটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৩০,  আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:২৫

কৃষি খাতের জন্য সারের মজুদ বাড়াতে বিভিন্ন উৎস থেকে ৮০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের সার আমদানির তিনটি ক্রয় প্রস্তাবসহ মোট চারটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এজন্য ব্যয় হবে ৩৩৯ কোটি ২৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর) বিকেলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় ক্রয় প্রস্তাবগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসিমা বেগম।

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আজিমপুরে বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণের একটি ক্রয় প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নূরানী কন্সট্রাকশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এতে ব্যয় হবে ১৬০ কোটি ২৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা।

২০২০-২০২১ অর্থবছরে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের মধ্যে পঞ্চম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র‌্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৬৪ কোটি ৭৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা।

২০২০-২০২১ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে সৌদি বেসিক ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (সাবিক) থেকে প্রথম লটে ২৫ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৫৬ কোটি ৯৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

এছাড়া, সভায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রুওয়াইশ ফারটিলাইজার ইন্ডাট্রিজ থেকে প্রথম লটে ২৫ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রত্যাশাগত অনুমোদন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৫৭ কোটি ২৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

সভায় ‘ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-পাকশী-দাশুরিয়া জাতীয় মহাসড়কের (এন-৭০৪) কুষ্টিয়া শহর অংশ ৪ লেনে উন্নীতকরণসহ অবশিষ্ট অংশ যথাযথ মানে উন্নীতকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের টেন্ডার কাজের পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব নাসিমা বেগম জানান, আজকের সভায় মোট আটটি ক্রয় প্রস্তাব ছিল। এরমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে মন্ত্রণালয় তিনটি ক্রয় প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিয়েছে। প্রস্তাবগুলো পরবর্তী সভায় উঠতে পারে।

এর আগে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা হয়। সভায় ঢাকা-ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের দুই পাশে সার্ভিস লাইনসহ ৮৭ কিলোমিটার মহাসড়ক এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এটি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে জি-টু-জি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে ৩৩৫৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে।

প্রকল্পটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে জি-টু-জি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রক্রিয়াধীন আছে।

সরকারের ‘পলিসি ফর ইমপ্লিমেন্টিং প্রজেক্ট থ্রো গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট (জি টু জি) পার্টনারশিপ ২০১৭’ এর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ‘কোরিয়া ওভারসিস ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড আরবান ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (কেআইএনডি)’ পিপিপি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছে। সে অনুযায়ী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর প্রকল্পের জন্য প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই করে পিপিপি প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads







Loading...