যে কারণে ইউএনওর ওপর হামলা করে রবিউল

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫৫

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মূল আসামি রবিউল ইসলাম।

দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে আসামিকে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালতে তোলা হলে তিনি এ জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমাম জাফর জানান, আসামি রবিউলকে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে রবিউল ইউএনওর ওপর হামলার দায় স্বীকার করেছেন। ১৬৪ ধারায় দেয়া সেই জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জবানবন্দিতে রবিউল জানান ক্ষোভ থেকে তিনি একাই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। গত জানুয়ারিতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ব্যাগ থেকে টাকা চুরির অভিযোগে রবিউলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ কারণে রবিউল ক্ষুব্ধ হন। ১ সেপ্টেম্বর তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়। এতেই রবিউল ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে হামলা করেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনার একমাত্র পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারী তিনি নিজেই। আক্রোশ থেকেই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। তার দেয়া তথ্যমতে হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি, লাঠি, মই, চাবিসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার পরনের প্যান্ট, হাতের ছাপসহ মোবাইলের লোকেশন আলামত হিসেবে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব আলামত বিচারকার্যে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ৬ দিনের রিমান্ড শেষে রবিউলকে আদালতে হাজির করে আবার তিনদিনের রিমান্ডে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

উল্লেখ্য, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় মোট ৫ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে রবিউল ছাড়া বাকি চারজন জেল হাজতে রয়েছেন।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads







Loading...