ডা. মিলনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিলো সাবরিনার

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • ১৩ জুলাই ২০২০, ২১:০৮

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগকে অনিয়মের স্বর্গরাজ্য করে রেখেছিলেন ভুয়া করোনা রিপোর্ট সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী। আর তার পাশে ছায়া হয়ে থেকেছেন বিভাগের একটি ‘ইউনিট প্রধান’ ডা. কামরুল হাসান মিলন। দুজনের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিলো বলেও অভিযোগ।

সাবরিনা-মিলনের ঘনিষ্ঠতায় চটে গিয়েছিলেন সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীও। এ নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই মিলনের সঙ্গে বিবাদেও জড়ায় জেকেজি হেলকেয়ারের সিইও আরিফ। এ ঘটনায় জিডিও হয় থানায়।

তবে এ বিষয়ে সাবরিনা বলেন, যদি এরকম কোনো সম্পর্ক হত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মামলাই করত।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, গত এক বছর ধরে কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষ এবং পদবি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন সাবরিনার ছায়া সঙ্গী ডা. কামরুল হাসান মিলন। বাধ্য হয়ে বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রামাপদ সরকার ছোট একটি কক্ষে নেমপ্লেট লাগিয়ে কোনোমতে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

ডা. মিলনের অধীনেই রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন ডা. সাবরিনা । কিন্তু ঠিকঠাক মতো অফিস করতেন না। অভিযোগ রয়েছে, সাবরিনা দিনের পর দিন কাজ না করেই নিতেন বেতন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজি নন ডা. মিলন। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট প্রশাসন।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads






Loading...