সাহেদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৩ জুলাই ২০২০, ১৪:১৯

নমুনা পরীক্ষা না করেই করোনার ভুয়া পজিটিভ-নেগেটিভ রিপোর্ট দেয়া রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেড এবং রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৩ জুলাই) কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন দুদক পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

মাইক্রোক্রেডিট ও এমএলএম ব্যবসার নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাহেদ চক্রের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া বহুমাত্রিক জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও উঠেছে করোনা টেস্ট নিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করা সাহেদের বিরুদ্ধে।

আয়কর ফাঁকি, ভুয়া নাম ও পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ নিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়টি আমলে নিয়েছে দুদক।

এর আগে কমিশনের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের বিভিন্ন ব্যক্তি, গণমাধ্যম, ভার্চুয়াল মাধ্যমসহ নানা উৎস থেকে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সংগ্রহ করে। এসব তথ্য-উপাত্তসংবলিত অভিযোগগুলো কমিশনের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল কমিশনে উপস্থাপন করলে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

কমিশনের বিশেষ তদন্ত অনুবিভাগের মাধ্যমে এই অভিযোগটি অনুসন্ধান করা হবে বলে জানা যায়। দুদকের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম এ কাজ পরিচালনা করবে।

নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া করোনা রিপোর্ট দেয়াসহ নানা অনিয়ম ধরা পড়ায় গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পরপরই রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব। এর মধ্যে আটজন গ্রেফতার রয়েছেন। ওই মামলায় সাহেদসহ নয়জনকে পলাতক হিসেবে এজাহারভুক্ত করা হয়।

এদিকে রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‌সাহেদ যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে খুঁজে বের করবে। তবে, তারও উচিত আত্মসমর্পণ করা। অন্যথায় তাকে গ্রেফতার করা হবে। যে কোনো সময় সাহেদ গ্রেফতার হবেন।

এর আগে সাহেদ করিমের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) তার ব্যাংক হিসাব জব্দ করে।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads






Loading...