সিনেমার নায়িকা হতে চেয়েছিলেন ডা. সাবরিনা

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ জুলাই ২০২০, ২১:২৬

নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই প্রায় ১৬ হাজার ভুয়া করোনা রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা চৌধুরী একসময় সিনেমার নায়িকা হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর নায়িকা হয়ে উঠা হয়নি।

২০১৬ সালে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনলাইন পোর্টালে দেয়া সাক্ষাৎকারে ডা. সাবরিনা বলেন, নায়িকাও হতে চেয়েছিলাম একসময়। হা হা হা। তবে বাবার কড়া শাসনের কারণে আর সেটি হয়ে ওঠেনি। নায়িকা হওয়ার জন্য প্রস্তাবও পেয়েছিলাম। লুকিয়ে অভিনয়ের রিহার্সেলে যেতাম। তবে যেদিন ফাইনাল শুটিং হবে সেদিন বাবা বুঝে গেলেন সবকিছু। আমার আর অভিনয় করা হলো না।

তিনি আরও বলেন, চাকরি পাওয়ার পর আমার প্রথম পোস্টিং হয় দিনাজপুরের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এমন একটি জায়গা ছিল, যেখানে কাটাকুটি করার মতো কোনো যন্ত্র নেই। কোনো রকমে কিছু ওষুধ আসত। সেখানে থেকে আমার মনে হয়েছে এসব জায়গাগুলো উন্নত করা যায়, তাহলে অনেক চিকিৎসক গিয়ে কাজ করত। তবে নেই বলেই কাজ করার সুযোগ সেসব জায়গায় কম। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজে বদলি হই। এখন কাজ করছি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে।

এর আগে রোববার দুপুরে ডিএমপির তেজগাঁও উপ-কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন ডাকা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় করোনা পরীক্ষা জালিয়াতির মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে।

করোনার রিপোর্ট কেলেঙ্কারিতে এরইমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন ডা. সাবরিনার স্বামী জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জন। তাদের এক ল্যাপটপেই পাওয়া গেছে ১৫ হাজারেরও বেশি করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট।

অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক সাবরিনার দাপটেই আরিফ চৌধুরী করোনা পরীক্ষার অনুমতি বাগিয়ে নেন স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে। জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে সব যোগাযোগ রক্ষা করতেন সাবরিনাই।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads






Loading...