ট্রেন দুর্ঘটনায় ৬ মাসে নিহত ১১৩

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ জুলাই ২০২০, ২০:৫৪

করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারণে দুই মাস যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত) রেলপথে ১০৫টি ছোটো বড় বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি এবং গ্রিন ক্লাব অব বাংলাদেশ (জিসিবি) এর যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠন দু’টি।

২৪টি বাংলা ও ইংরেজি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং নয়টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে তৈরি করা এ প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে ২৬টি দুর্ঘটনায় চার নারী ও পাঁচ শিশুসহ ২৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ফেব্রুয়ারিতে ৪২টি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪ ও ৭ জন। নিহতের তালিকায় ১৪ নারী ও দুই শিশু রয়েছে।

মার্চে ১৮টি দুর্ঘটনায় ছয় নারী ও দুই শিশুসহ ১১ জন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। এপ্রিল ও মে মাসে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও মে মাসে পণ্যবাহী ট্রেন চলাকালে রেলপথে চারটি দুর্ঘটনা ঘটেছে; যাতে এক নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন।

জুন মাসে দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ১৫। এতে এক নারী ও দুই শিশুসহ ১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ মিয়া বলেন, তাদের পর্যবেক্ষণে এসব দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির পেছনে পাঁচটি কারণ চিহ্নিত হয়েছে। সেগুলো হলো: মোবাইল ফোনে আলাপরত অবস্থায় রেলপথ পারাপার, রেলপথ সংলগ্ন এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে পথচারীদের সচেতনতার অভাব, রেলপথ ক্রসিংগুলোর (সড়ক ও রেলপথের সংযোগ স্থল) কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি, কিছু সংখ্যক রেলসেতুসহ অনেক স্থানে রেলপথ দীর্ঘদিন সংস্কার না করা এবং দূরপাল্লার ট্রেনগুলোর চালকদের অসতর্কতা।

গ্রিন ক্লাব অব বাংলাদেশ (জিসিবি) এর সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, দুর্ঘটনা ও হতাহতের এই চিত্র মূলত চার মাসের। দেশজুড়ে লকডাউনের কারণে ২৬ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads






Loading...