স্বাস্থ্য অধিদফতরের কালো তালিকায় ১৪ ঠিকাদার

মানবকণ্ঠ
- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ জুলাই ২০২০, ১১:০৯

বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় দুর্নীতি-অনিয়মে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১৪ ঠিকাদারকে ‘কালো তালিকা’ভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। দুদকের তদন্তে এদের নাম উঠে আসায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা দেশের সব হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণসহ ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা এবং দুর্নীতি, প্রতারণা ও চক্রান্তমূলক কার্যকলাপে জড়িত ছিল ১৪টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান ও তাদের মালিকদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক মামলা করে সে তালিকা পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গত ৯ জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চিঠি দেয় অধিদফতরকে। এরপরই অধিদফতরের চিঠি গেল।

এতে বলা হয়, উল্লিখিত কালো তালিকাভুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর সাথে কোনো প্রকার দাফতরিক ক্রয় সংক্রান্ত কাজে সম্পৃক্ত না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

যেসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে রহমান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এবং রূপা ফ্যাশনের মালিক রুবিনা খানম।
রুবিনা খানম স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবরক্ষক মো. আবজাল হোসেনের স্ত্রী। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা পাচার এবং ৩৪ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছর এই দম্পতির বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছিল দুদক। এছাড়া মেসার্স অনিক ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজের মুন্সী ফররুখ হোসাইন, মেসার্স ম্যানিলা মেডিসিন অ্যান্ড মেসার্স এস কে ট্রেডার্সের মনজুর আহমেদ, এমএইচ ফার্মার মোসাদ্দেক হোসেন, মেসার্স অভি ড্রাগসের মো. জয়নাল আবেদীন, মেসার্স আলবিরা ফার্মেসির মো. আলমগীর হোসেন, এস এম ট্রেডার্সের মো. মিন্টু, মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মো. আব্দুস সাত্তার সরকার ও মো. আহসান হাবিব, বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির মো. জাহের উদ্দিন সরকার, ইউনির্ভাসেল ট্রেড করপোরেশনের মো. আসাদুর রহমান, এ এস এলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আফতাব আহমেদ এবং বেয়ার এভিয়েশনের মো. মোকছেদুল ইসলামকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

দেশে স্বাস্থ্য খাতে নানা কেনাকাটায় দুর্নীতির বেশ কিছু ঘটনা গত বছরই আলোচিত হয়েছিল। এই বছর করোনা ভাইরাস মহামারীর শুরু হওয়ার পর নি¤œমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগও আসে।

মাস্ককাণ্ডের পর জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও তমা কনস্ট্রাকশনের সমন্বয়কারীকে বুধবার পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads






Loading...