টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' দুই রোহিঙ্গা নিহত

মানবকণ্ঠ
ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা, পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয় - ছবি : প্রতিবেদক

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ০৬ জুলাই ২০২০, ১০:৩৮,  আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২০, ১০:৪১

টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হয়েছেন। নিহত মাদক কারবারীরা হলেন- উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্পের মোহাম্মদ শফিকের ছেলে মোঃ আলম(২৬), উখিয়া বালুখালী ক্যাম্পের মোঃ এরশাদ আলীর ছেলে মোঃ ইয়াছিন (২৪)।

সোমবার (৬ জুলাই) টেকনাফ হৃীলা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ অবরাং গ্রামের নানীর বাড়ি নামক সীমান্ত এলাকায় এঘটনা ঘটে।

এসময় দুই বিজিবি সদস্য আহত হন। আহতরা হলেন- ল্যান্স নায়েক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, নায়েক মোঃ শাকের উদ্দিন।

টেকনাফ ২বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) জানান, গোপন সংবাদে জানা যায় হৃীলা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ অবরাং গ্রামের নানীরবাড়ি এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল বর্ণিত এলাকায় দ্রুত গমন করে হৃীলাস্থ অবরাং গ্রামের নানীর বাড়ি এলাকায় নাফ নদীর তীরে অবস্থান করেন। উক্ত টহলদল দূর হতে ২ থেকে ৩ জন ব্যক্তিকে সাতঁরিয়ে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। উক্ত স্থান দিয়ে মাদক কারবারীরা সাতরিয়ে নদীর কিনারায় উঠার সাথে সাথে টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবি’র উপস্থিতি লক্ষ্য করা মাত্রই তারা নদীর কিনারা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে টহলদল তাদের ধাওয়া করলে সশস্ত্র ইয়াবা পাচারকারীরা অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ করে। গুলি বর্ষণের ফলে দুই বিজিবি সদস্য আহত হয়। এক পর্যায়ে বিজিবি সদস্যরা সরকারী সম্পদ ও নিজেদের জানমাল রক্ষার স্বার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ৪-৫ মিনিট গুলি বিনিময় হয়‌। গোলাগুলির শব্দ থামার পর টহলদলের সদস্যরা উক্ত এলাকা হতে দুই জন ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের জরুরী চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা, ১টি চায়না পিস্তল এবং ২ রাউন্ড চায়না পিস্তলের তাঁজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। সরকারী কর্তব্যে বাঁধা প্রদান এবং অবৈধ মাদক পাচারের দায়ে দায়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, সাতরিয়ে আসা একজন ইয়াবা কারবারী গুলি করতে করতে কেওড়া বাগানের ভিতর দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়ার সময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরিচয় পাওয়া যায়।

মানবকণ্ঠ/এইচকে/শাহীন 

 





ads







Loading...