বসুন্ধরা আবাসিক ‘লকডাউন’: ঘোষণা সিটি করপোরেশনের নয়, তবে স্বাগত জানালেন মেয়র

মানবকণ্ঠ
- ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৮ জুন ২০২০, ১১:৩৪,  আপডেট: ১৮ জুন ২০২০, ১২:৫০

রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ‘লকডাউনের’ ঘোষণা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন দেয়নি বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। ফলে আজই এলাকাটি লকডাউন হচ্ছে না। তবে এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন মেয়র।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা আমরা লকডাউন ঘোষণা করিনি। আমি জানতে পেরেছি স্থানীয় এলাকাবাসী এ লকডাউন ঘোষণা করেছেন। আমি এটাকে স্বাগত জানাই।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে যদি এলাকাবাসী এগিয়ে আসেন তাহলে কাজটা সহজ হয়। আমাদের ওপর চাপ কমবে।

গতকাল বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মাইকিং করা হয়। মাইকিংয়ে জানানো হয়- বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দিবাগত রাত ১২টা থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় লকডাউন কার্যকর করা হবে। কারা এই লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে তা নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, নির্দেশনার ‘ভুল বোঝাবুঝির’ কারণে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সিদ্ধান্তে গতকাল ওই এলাকায় মাইকিং করে আজ থেকেই লকডাউন হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। আকস্মিক এই ঘোষণায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। 

পুলিশ বলছে, সিটি করপোরেশনের নির্দেশনায় লকডাউন কার্যকর করা হবে।

কিন্তু ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশন লকডাউন ঘোষণা করেনি। স্থানীয়রাই লকডাউন ঘোষণা করেছেন।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ঢালী বলছেন, সিটি করপোরেশন থেকে চিঠি পেয়ে লকডাউনের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছেন তারা। তিনি বলেন, আমার এত বড় সাহস হয়নি যে, নির্দেশনা ছাড়া এলাকায় লকডাউন দেবো।

প্রসঙ্গত, ১ জুন সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভায় করোনার সংক্রমণ বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন এলাকাকে লাল, হলুদ ও সবুজ এলাকায় ভাগ করে ভিন্নমাত্রায় এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারে ৯ জুন দিবাগত রাত থেকে লকডাউন চলছে। এখন লকডাউনের জন্য সুর্নিদিষ্টভাবে ঢাকার অন্য এলাকা চিহ্নিত করার কাজ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে গতকাল বুধবার পর্যন্ত তা সুর্নিদিষ্ট হয়নি।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads







Loading...