সংক্রমণ লুকিয়ে সংসদে তারা!

সংক্রমণ লুকিয়ে সংসদে তারা!
জাতীয় সংসদ ভবন - মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • জাহাঙ্গীর কিরণ
  • ১৭ জুন ২০২০, ০৯:৫৮,  আপডেট: ১৭ জুন ২০২০, ১১:৪৮

সন্দেহজনক আক্রান্ত ও বয়স্ক, অসুস্থ এমপি-মন্ত্রীদের জাতীয় সংসদের চলমান বাজেট অধিবেশনে যোগ না দেয়ার অনুরোধ জানানো হলেও সংসদ কর্তৃপক্ষের সেই অনুরোধ উপেক্ষা করছেন অনেকেই। নিজ নিজ দলের হুইপদের মাধ্যমে এ অনুরোধ জানানো হয়েছিল সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে।

কিন্তু দলীয় প্রধান ও সরকার প্রধানের নজর কাড়তে সংসদের প্রবেশ গেটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেয়া ‘বাধা’ ডিঙিয়ে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেছেন এই তালিকায় থাকা অনেকে। সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো, করোনার উপসর্গ গোপন করেও অনেকে অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। আর এ কারণে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ এই কদিনে অধিবেশনে উপস্থিত সবাই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংসদে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করতে আরো কঠোর হচ্ছে সংসদ প্রশাসন।

ইতোমধ্যে বয়স্ক, অসুস্থ, করোনা আক্রান্ত, আক্রান্তদের সংস্পর্শে যাওয়া এবং গত ঈদুল ফিতরে ঢাকার বাইরে যাওয়া প্রায় অর্ধশত এমপি-মন্ত্রীর তালিকা করে সংসদের হুইপের দফতর থেকে ফোন করে তাদের অধিবেশনে আসতে নিরুৎসাহ করা হয়েছে। তবে এসব ঝুঁকির মধ্যে কোনো সংসদ সদস্যের টানা ৯০ দিন অধিবেশনে অনুপস্থিতির আশঙ্কা থাকলে, তাদের হাজিরা দিতে এক দিনের জন্য অধিবেশনে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি ছাড় দেয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সংসদে প্রতিদিন এমপিদের উপস্থিতি ৬০ থেকে ৮০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উপস্থিতি কোনোক্রমেই যেন ৯০ জনের বেশি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। যে কারণে অধিবেশন শুরুর আগেই সংসদের সরকারি ও বিরোধী দলের হুইপরা বসে রোস্টার করেছেন। প্রত্যেক সদস্যের গড়ে তিন দিনের উপস্থিতির সুযোগ রেখে রোস্টার করা হয়। কিন্তু এই রোস্টার মানেননি অনেক মন্ত্রী-এমপি।

অনেকে তো আবার করোনার উপসর্গ গোপন করে সংসদে প্রবেশ করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম সিলেট-২ আসন থেকে গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান। গত ১০ জুন বাজেট অধিবেশন শুরুর দিনই সংসদের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এরপর নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয় তার।

মোকাব্বির খানের এপিএস জুবের খান গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জানান, সিএমএইচে ভর্তি মোকাব্বির খানের রিপোর্ট কিছুক্ষণ আগে হাতে এসেছে। সেখানে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে ওনার শ্বাসকষ্ট কমেছে। তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছেন। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। এদিকে মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদও গতকাল মঙ্গলবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

সংসদ সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, মোকাব্বির খানের মতো আরো অনেকেই হয়তো নিজেদের অসুস্থতা গোপন করে অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। অসুস্থ ও বয়স্ক অনেকেই প্রবেশ গেটে বারণ করা সত্তে¡ও কথা না মেনে অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর নতুন করে আরো ২৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মেলে সংসদ সচিবালয়ে। গত রবিবারও নতুন করে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন।

তাদের মধ্যে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ওয়ারেস হোসেন, গণসংযোগ শাখার পরিচালক ও উপসচিব মো. তারিক মাহমুদ, টিভি প্রডিউসার মাসুম বিল্লাহ, কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, কর্মচারী নেতা আতর আলী অন্যতম। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে সংসদ সচিবালয়ে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় ৪৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী পজিটিভ শনাক্ত হয়েছিলেন। এখন সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ জনে। বায়ুরোধী ও সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অধিবেশন কক্ষে উপস্থিতদের শ্বাস-প্রশ্বাস সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারেন এমন উদ্বেগ বিরাজ করছে বাজেট অধিবেশন নিয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোস্টার তৈরির আগে অধিবেশনে একেবারেই অংশগ্রহণ করবেন না, এমন আক্রান্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ সদস্যদের তালিকা তৈরি করা হয়। এমন অন্তত ৩৫ জনের মতো সদস্যের তালিকা তৈরি করে তাদের অধিবেশন শুরুর আগেই না আসার জন্য অনুরোধ করা হয়। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কোনো কোনো সংসদ সদস্য নিজে, তার পরিবারের সদস্য বা ব্যক্তিগত কর্মকর্তা-কর্মচারীর করোনা পজিটিভ হওয়ার কারণে এই সংখ্যা ইতোমধ্যে বেড়েছে। অধিবেশনের বাকি সময়ের মধ্যে এই তালিকা আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অসুস্থ ও বয়স্কদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিরুৎসাহ করার কারণ হিসেবে হুইপরা জানান, অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য এমপিদের সংখ্যা ৬০ থেকে ৮০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হলেও অধিবেশন চলাকালে আরো কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করেন। সংসদ সদস্যসহ সাপোর্টিং স্টাফ, গ্যালারিতে অবস্থানকারী অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিবর্গ মিলিয়ে দেড় শতাধিক মানুষ অধিবেশন কক্ষে অবস্থান করেন। বায়ুরোধী ও সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ কক্ষে তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মূলত এ কারণে অসুস্থ ও বয়স্কসহ আক্রান্ত ও আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা সংসদ সদস্যদের না আসতে অনুরোধ করা হয়েছে।

শারীরিক অসুস্থতা ও বয়সের কারণে যেসব সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে না আসতে অনুরোধ করা হয়েছে তারা হলেন- বিরোধীদলীয় নেতা ও ময়মনসিংহ-৪ আসনের এমপি রওশন এরশাদ, সংসদ উপনেতা ও ফরিদপুর-২ আসনের সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ঝালকাঠী-২ আসনের আমির হোসেন আমু, সরকার দলীয় সিনিয়র সংসদ সদস্য ভোলা-১ আসনের তোফায়েল আহমেদ, গোপালগঞ্জ-২ আসনের শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ঢাকা-১৮ আসনের অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, চট্টগ্রাম-১ আসনের ইঞ্জিনিয়ার মোশররফ হোসেন, ফরিদপুর-৩ আসনের খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বরিশাল-১ আসনের আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, নওগাঁ-৪ আসনের ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, জামালপুর-১ আসনের আবুল কালাম আজাদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও ঢাকা-৮ আসনের রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি ও পিরোজপুর-২ আসনের আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, সরকারি দলের সংসদ সদস্য শেরপুর-৩ আসনের একে এম ফজলুল হক, পাবনা-৩ আসনের মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ আসনের মোসলেম উদ্দিন, পটুয়াখালী-১ আসনের মো. শাহজাহান মিয়া, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মো. দবিরুল ইসলাম, সরকারি দলের হুইপ ও খুলনা-১ আসনের পঞ্চানন বিশ্বাস, সংরক্ষিত আসনের শেখ এ্যানী রহমান ও জিন্নাতুল বাকিয়া এবং বিএনপির সংসদ সদস্য উকিল আবদুস সাত্তার। এছাড়া, সংরক্ষিত আসনের সদস্য ও রাশেদ খান মেননের স্ত্রী লুৎফুন নেসা খানকেও অনুরোধ করা হয়েছে অধিবেশনে যোগ না দিতে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং প্রথমে এ তালিকায় না থাকলেও তারা দুজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এছাড়া করোনা পজিটিভ হওয়ার জন্য নওগাঁ-২ আসনের শহীদুজ্জামান সরকার, চট্টগ্রাম-৬ আসনের এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, যশোর-৪ আসনের রণজিৎ কুমার রায়, জামালপুর-২ আসনের ফরিদুল হক খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের এবাদুল করিম, চট্টগ্রাম-৮ আসনের মোসলেম উদ্দিন আহমেদ এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীকে সংসদ অধিবেশনে যোগ না দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। অবশ্য এদের মধ্যে শহীদুজ্জামান সরকার ও এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। এদিকে সংসদের তথ্য অনুযায়ী, ফজলে করিম চৌধুরী করোনা আক্রান্ত হলেও গণমাধ্যমের কাছে তিনি তা অস্বীকার করেছেন।

পরিবারের সদস্যদের করোনা পজিটিভ হওয়ার কারণে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী (নওফেল), রাজবাড়ী-১ আসনের কাজী কেরামত আলী, যশোর-৩ আসনের কাজী নাবিল আহমেদ ও টাঙ্গাইল-৬ আসনের আহসানুল ইসলাম টিটুকে অধিবেশনে যোগ না দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া, ব্যক্তিগত সহকারী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় নতুন করে বাগেরহাট-২ আসনের শেখ তন্ময়কেও অধিবেশনে যোগ না দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

অবশ্য ব্যক্তিগত সহকারীর করোনা পজিটিভ হওয়ার খবরে শেখ তন্ময় নিজেই হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এদিকে পরিবারে অসুস্থ ও বয়স্ক সদস্য (বৃদ্ধ মা) থাকায় বাগেরহাট-১ আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দিনকে আগেই অনুরোধ করা হয়েছে এবারের অধিবেশনে যোগ না দিতে। আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন তরুণ সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের পিতা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে বৈঠকে উপস্থিত না থাকার বিষয়ে হুইপের দফতর থেকে কোনো অনুরোধ জানানো হয়নি। উপরন্তু তার উপস্থিতির জন্য দুই দিনের শিডিউল রয়েছে হুইপ দফতরের। তবে গত বছর মারাত্মক অসুস্থতা নিয়ে সিঙ্গাপুরে দীর্ঘ সময় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়া ওবায়দুল কাদেরকে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পরপরই বাসা থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেন। ওবায়দুল কাদের বর্তমানে অধিবেশনে যোগ না দিলেও গত ১১ জুন সংসদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্যদের মধ্যে যাদের অধিবেশনে যোগ না দিতে অনুরোধ বা নিরুৎসাহ করা হয়, তাদের কেউ কেউ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ভবিষ্যতে যোগ দেয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। জানা গেছে, অধিবেশনে যোগ না দিতে অনুরোধ সত্তে¡ও গত ১০ জুন বাজেট অধিবেশন শুরুর দিনে জামালপুর-১ আসনের সরকারি দলের এমপি ও সাবেক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ অধিবেশনে যোগ দেন। তাকে সংসদের প্রবেশ পথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অধিবেশন কক্ষে যোগ না দিতেও অনুরোধ করেছিলেন। পরে তিনি বৈঠকে যোগ দেন।

সংসদের অধিবেশনে যোগ না দেয়ার অনুরোধ প্রসঙ্গে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আমাকে অনুরোধ করে অধিবেশনে যোগ না দিতে নিরুৎসাহ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, আপনার অধিবেশনে যোগ না দিলেও চলবে।’ অধিবেশনে যাবেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে সংখ্যায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাতে সংসদ ভবন অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুঁকির কারণে সংসদের বৈঠকও কাটছাঁট করা হয়েছে। সামনে যে কয়দিন চলবে সেটাতে কী হয় তা বলা মুশকিল।

বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে নিষেধ করার বিষয়টি স্বীকার করেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর বর্তমানে সুস্থ নওগাঁ-২ আসনের সরকার দলীয় এমপি শহীদুজ্জামান সরকার। তিনি জানান, তাকে ফোন করে অধিবেশনে যোগ না দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে শেষ দিকে কোনো একদিন তিনি অধিবেশনে যোগ দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরকারি দলের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, তারা কোনো সংসদ সদস্যকেই অধিবেশনে যোগ দিতে নিষেধ করেননি। বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে তারা স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রবীণ ও অসুস্থ সংসদ সদস্যদের অধিবেশনে আসতে নিরুৎসাহ করছেন। সংসদের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এটা করা হয়েছে। তবে যারা করোনা পজিটিভ, তাদের সবাইকে নিষেধ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads
ads