২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ২৬৩৫ জন, মৃত্যু ৩৫


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৬ জুন ২০২০, ১৪:৩৫,  আপডেট: ০৬ জুন ২০২০, ১৪:৪৫

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশেও বেড়েই চলছে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৮৪৬ জন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৩৫ জন। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা ৬৩ হাজার ২৬ জন।

শনিবার (৬ জুন) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে দেশের কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিন অনলাইনে প্রচারিত হয়। বুলেটিনে ভিডিও কনফারেন্সে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আইইডিসিআরসহ ৫০টি প্রতিষ্ঠানে ১২ হাজার ৪৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো তিন লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও দুই হাজার ৬৩৫ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ২৬ জনে।

অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৫ জন। তার মধ্যে ২৮ জন পুরুষ ও সাতজন নারী। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮ জন, রাজশাহী বিভাগে তিনজন, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে দুইজন করে মারা গেছেন।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৫২১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ নিয়ে মোট ১৩ হাজার ৩২৫ জন সুস্থ হলেন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিনে দিনে করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। আজ দুপুর পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন মানুষ। শনিবার সকাল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৯৮ হাজার ১৪১ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার ৭০৫ জন। অপরদিকে ৩৩ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩১ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত ছয় মাসে বিশ্বব্যাপী মহামারি রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নেয়া হয়েছে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। অধিকাংশ দেশেই মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে মানুষের চলাফেরার ওপর বিভিন্ন মাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

কোনো কোনো দেশে আরোপ করা হয়েছে সম্পূর্ণ লকডাউন, কোথাও কোথাও আংশিকভাবে চলছে মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ চলাফেরার ক্ষেত্রে কোনো না কোনো মাত্রায় নিষেধাজ্ঞার ওপর পড়েছেন। তবে এরই মধ্যে কোনো কোনো দেশে করোনার প্রভাব কমে যাওয়া লকডাউন শিথিল ও নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে...





ads







Loading...